‘গ্যাপো' নামে ফেসবুকের মতো সামাজিক যোগাযোগের একটি অ্যাপ চালু করেছে স্থানীয় এক কোম্পানি। ভিয়েতনাম সরকারের আহ্বানে সাড়া দিয়ে এই অ্যাপ চালু হয়। যা চলতি বছরের মধ্যে ব্যবহারকারীর সংখ্যা ত্রিশ লাখ হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

দেশটির কমিউনিস্টশাসিত সরকার কড়াভাবে গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। ভিন্নমতাবলম্বীদেরও সহ্য করে না সরকার।

গত মে মাসে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল জানিয়েছিল, ফেসবুকের মতো সামাজিক মাধ্যমে ‘রাষ্ট্রবিরোধী' মন্তব্য করার অভিযোগে আটক ১২৮ জনের মধ্যে দশ শতাংশকে কারাগারে পাঠিয়েছে ভিয়েতনাম।

ফেসবুক, গুগলের মতো কোম্পানির উপর চাপ সৃষ্টি করতে জানুয়ারি মাসে ভিয়েতনামে একটি সাইবার নিরাপত্তা আইন পাস করা হয়৷ ফলে কোম্পানিগুলোকে ভিয়েতনামে কার্যালয় স্থাপন করতে হবে৷ এমনকি ডাটা সেখানেই জমা করতে হবে৷

এছাড়া ইউটিউবে ‘রাষ্ট্রবিরোধী' প্রচারণামূলক ভিডিওতে বিজ্ঞাপন না দেয়ার জন্য গত মাসে কোম্পানিগুলোকে নির্দেশ দেয় সরকার।

২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে ভিয়েতনামের তথ্যমন্ত্রী এনগুয়েন মান হুং বিদেশি সামাজিক মাধ্যমের বিকল্প চালু করতে বেসরকারি কোম্পানিগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন৷

এই আহ্বানে সাড়া দিয়ে স্থানীয় প্রযুক্তি কোম্পানি জি-গ্রুপ ‘গ্যাপো' অ্যাপে ১৮২ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে।কোম্পানির প্রধান নির্বাহী হা ত্রুং কিয়েন চলতি বছরের মধ্যে ব্যবহারকারীর সংখ্যা ত্রিশ লাখ হতে পারে বলে আশা করছেন। ২০২১ সালের মধ্যে সংখ্যাটি দুই কোটিতে নেয়ার লক্ষ্য তাঁর।

গ্যাপোর আগে ফেসবুকের মতো আরও দুটি সামাজিক মাধ্যম চালু হয়েছিল ভিয়েতনামে৷ তবে কোনোটিই সাড়া ফেলতে পারেনি৷(রয়টার্স)

এএস