যারা ২০০৮ সাল থেকে ২০১০ সালের মধ্যে ইয়াহু ব্যবহারকারী তাদের সে সময়কার ছবি পাওয়া যেতে পারে যুক্তরাজ্যের বা যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা কার্যালয়ে।
কারণ যুক্তরাজ্যের গোয়েন্দা সংস্থা জিসিএইচকিউ ও মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা ইউএস ন্যাশনাল সিকিউরিটি এজেন্সি হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে গোপনে লাখ লাখ ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর ছবি সংগ্রহ করেছে।
ইয়াহুর এসব ব্যবহারকারীরা এমনকি কোনো অপরাধী বা অপরাধের জন্য সন্দেহভাজনও ছিল না। সম্প্রতি একটি গোপন দলিল ফাঁস হয়ে গেলে এ তথ্য জানা গেছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম।
জিসিএইচকিউ এর ফাইলে দেখা যায়, ২০০৮ সাল থেকে ২০১০ সালের মধ্যে অপটিক নার্ভ নামে একটি নজরদারি প্রোগ্রামের আওতায় এ ছবিগুলো সংগ্রহ করা হয়। এর পর সেগুলো এজেন্সির ডেটাবেসে সংরক্ষণ করা হয়। এ ক্ষেত্রে যাদের ছবি সংগ্রহ করা হচ্ছে, তারা গোয়েন্দা নজরদারিতে আছে কি না, তাদের নামে কোনো অভিযোগ আছে কি না, এসব বিষয় বিবেচনা করা হয়নি।
শুধু ২০০৮ সালেই ৬ মাস ধরে এ প্রোগ্রামের আওতায় ছবি সংগ্রহ করা হয়। এসব ছবির অনেকগুলোই ছিল ব্যবহারকারীদের যৌনতাপূর্ণ ছবি। এভাবে সে সময় ১৮ লাখেরও বেশি ব্যবহারকারীর ছবি সংগ্রহ করা হয়।
গার্ডিয়ানের অনুসন্ধানের সময় ইয়াহু এ ঘটনার তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে। তারা এ বিষয়টি জানতো না এবং এতে কোনো সংশ্লিষ্টতা অস্বীকার করেছে। ব্যবহারকারীদের প্রাইভেসি লঙ্ঘনের এ ঘটনাকে ইয়াহু নজিরবিহীন হিসেবে দেখছে। (সূত্র: ওয়েবসাইট)
[b]ঢাকা, ২৮ ফেব্রুয়ারি (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেআই
[/b]