রাজনৈতিক বিজ্ঞাপন প্রদর্শন এবং গোপনীয়তা বিতর্কে ফেসবুককে বিদায় জানালেন জনপ্রিয় মার্কিন লেখক স্টিফেন কিং। গত শুক্রবার শেষবারের মতো স্ট্যাটাস দিয়ে বিশ্বের বৃহত্তম এ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ছাড়ার ঘোষণা দেন তিনি। এর কিছুক্ষণ পরই নিজের ফেসবুক আইডি ডি-অ্যাকটিভ করে দেন ৭২ বছর বয়সী এই লেখক।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বরাবরই বেশ সক্রিয় স্টিফেন কিং। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কট্টর সমালোচকও তিনি। ট্রাম্পের কর্মকাণ্ডের কড়া সমালোচনা করে নিয়মিতই স্ট্যাটাস দিতেন ইট, পেট সিমেটারি, দ্য আউটসাইডারের মতো জনপ্রিয় সব বইয়ের এই লেখক।
ফেসবুকের বিদায়ী স্ট্যাটাসে স্টিফেন কিং লেখেন, ‘আমি ফেসবুক ত্যাগ করছি। রাজনৈতিক বিজ্ঞাপনের অনুমতি দেয়ায় এর মিথ্যা তথ্যের বন্যার মধ্যে স্বস্তিতে নেই, এছাড়া ব্যবহারকারীদের গোপনীয়তা রক্ষায় এর (ফেসবুক) সামর্থ্যের ব্যাপারেও বিশ্বাস নেই।’
তবে ফেসবুক ছাড়লেও অনুসারীরা প্রিয় লেখককে আরেক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারে নিয়মিত পাবেন।
টাকার বিনিময়ে রাজনৈতিক বিজ্ঞাপন প্রচারের অনুমতি দেয়ায় গত কয়েক মাস ধরেই ব্যাপক সমালোচনার মুখে রয়েছে ফেসবুক। প্রতিদ্বন্দ্বী টুইটার এ ধরনের বিজ্ঞাপন প্রচারে নিষেধাজ্ঞা দিলেও ব্যবসার কথা ভেবে সেই পথে হাঁটতে রাজি নয় মার্ক জুকারবার্গের প্রতিষ্ঠানটি। এমনকি রাজনৈতিক বিজ্ঞাপনে প্রচারিত তথ্যের সত্যতাও যাচাই করবে না তারা।
এর মাধ্যমে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার রিপাবলিকান পার্টির প্রচারে ফেসবুক সাহায্য করছে বলে অভিযোগ ডেমোক্র্যাট নেতাদের। তবে আগামী ৯ জানুয়ারি থেকে নতুন ফিচার চালুর ঘোষণা দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি; যার মাধ্যমে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে রাজনৈতিক বিজ্ঞাপন কম দেখা যাবে।
সূত্র: ডেইলি মেইল।
এএইচ





