নাসা’র কেপলার মিশন জানিয়েছে, তারা আরও ৭১৫ টি নতুন গ্রহের সন্ধান পেয়েছে। এ গ্রহগুলো সূর্যের ন্যায় ৩০৫ টি নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে ঘুরছে।
অর্থাৎ সূর্যকে কেন্দ্র করে যেমন অনেক গুলো গ্রহ ঘুরছে ঠিক একইভাবে অন্য নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে ঘুরছে একাধিক গ্রহ। এ গ্রহগুলো শতকরা ৯৫ ভাগ গ্রহই নেপচুনের চেয়ে আকারে ছোট। নেপচুনের আকৃতি পৃথিবীর প্রায় চার গুণ। নতুন এ গ্রহগুলোর আবিষ্কারের ফলে পৃথিবীর সাথে দৃশ্যত মিল আছে এরকম জানা গ্রহের সংখ্যা আরও বেড়ে গেল।[img]http://www.timenewsbd.com/contents/public/201402/1393594789.jpg[/img]
জন গ্রুন্সফিল্ড বলেন, “কেপলার ও এর সাথে সংশ্লিষ্ট কর্মী দলের নিরলস পরিশ্রমের ফলে অল্প সময়েই আমরা গ্রহদের অনুসন্ধান সংক্রান্ত বিষয়ে চমৎকার ফলাফল পেয়েছি”। আর এর ফলে মানুষের এ মহাবিশ্বের ভবিষ্যৎ পদাচারণা কেমন হবে সেটারই ধারণা পাওয়া যাবে। আর সে লক্ষ্যেই তৈরির অপেক্ষায় রয়েছে জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ। এটার কাজ হবে এ ‘নতুন বিশ্বগুলো’কে নিয়ে গবেষণা করা।
আজ থেকে ২০ বছর আগে সৌরজগতের বাইরে প্রথম গ্রহটি আবিষ্কৃত হয়েছিল। এতো এতো মহাজাগতিক বস্তুর মাঝে গ্রহগুলোকে আলাদাভাবে নির্ণয় করা ছিল বেশ সময়সাপেক্ষ। তবে এখন বিজ্ঞানীদের কাছে রয়েছে, একটি পরিসংখ্যান ভিত্তিক প্রযুক্তি, যার ফলে নতুন গ্রহগুলো নির্ণয় করা অনেক সহজ হয়ে গিয়েছে। ক্যালিফোর্নিয়াতে অবস্থিত নাসা’র Ames Research Center এর গ্রহবিজ্ঞানী জ্যাক লিসাওর একটি গবেষণা পরিচালনা করেন, যার ফলে ২০০৯-১১, এ দুই বছরে অনেক গুলো গ্রহ ও নক্ষত্র আবিষ্কার করা সম্ভব হয়েছে।
কেপলার প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার নক্ষত্র পর্যবেক্ষণ করেছে। এর মাঝে হাজারের মত নক্ষত্রকে বিবেচনায় আনা হয়। যাদের মাঝে ৭১৫ টি গ্রহ বলে নিশ্চিত হয়েছেন বিজ্ঞানীরা। এ গ্রহগুলোর মাঝে অন্তত চারটির আকার পৃথিবীর চেয়েও ২.৫ গুন বড়। এ আবিষ্কারের ফলে আমাদের সৌরজগতের বাইরে জানা গ্রহের সংখ্যা দাঁড়ালো ১৭০০ টিতে।
ঢাকা, ২৮ ফেব্রুয়ারি, (টাইমনিউজবিডি.কম) // এসআর