ইন্টারনেটকে চরমপন্থাীরা তাদের মতাদর্শ প্রচার ও কর্মী সংগ্রহের মাধ্যম হিসাবে ব্যবহার করছে । আর তা যাতে চালাতে না পারে সে কল্পে জোট বাঁধলো বিশ্বের কয়েকটি প্রযুক্তি জায়েন্ট।উগ্রবাদীদের অনলাইন কার্যক্রমকে বন্ধ করেতে তাই ফেসবুক,গুগল,টুইটার ও মাইক্রোসফট।ইন্টারনেটের  অনেক ভালো দিক থাকলেও, খারপ দিকও আছে বিস্তর। 

সোমবার  প্রতিষ্ঠান গুলো জোট গঠনের কথা জানিয়েছে।উগ্রপন্থার প্রচার ঠেকানো এবং প্রতিষ্ঠানগুলোর সেবায় যেন সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চলতে না পারে, সে জন্য প্রযুক্তি ও তথ্য পরস্পরের সঙ্গে বিনিময় করবে বলে জানা গেছে।আর এই কাজ করতে সবার ব্যাবহার উপযোগী 'ফিঙ্গারপ্রিন্টিং' নামের একটি ডেটাবেজ প্রস্তুত করবে জোটভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো।সন্ত্রাসীদের কার্যত্রুমের যেসকল কনটেন্টকে ফ্ল্যাগ করা হবে তা এই ডাটাবেজে স্থান পাবে।

প্রতিষ্ঠানগুলোর এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, ‘এই জোটের মাধ্যমে আমরা ব্যবহারকারীদের প্রাইভেসি সুরক্ষা ও আমাদের প্ল্যাটফর্মে তাদের স্বাধীনভাবে মুক্ত মত প্রকাশের সুবিধা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

বিবৃতিতে আরো জানানো হয়, মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই সন্ত্রাসী কনটেন্টের প্রচার বন্ধ ও অন্যান্য উপায় নিয়েও এই জোট আলোচনা করেছে।

ওয়েবে সন্ত্রাসী প্রচার বন্ধে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর যথাযথ ভূমিকা নিয়ে কয়েক বছর ধরে বিশ্বজুড়ে সমালোচনা চলছিল তার পরিপেক্ষিতে এই জোট ।

নতুন জোট ‘হ্যাসেস’ বা ‘ইউনিক ডিজিটাল ফিঙ্গারপ্রিন্টস’ ব্যবহার করে সন্ত্রাসীদের প্রকাশ করা ছবি ও ভিডিও শনাক্ত করে তার প্রচাররোধ করবে।

এ রকম কোনো ছবি বা ভিডিও টুইটারে শনাক্ত করা হলে তা ‘হ্যাস’ ব্যবহার করে ডেটাবেজে যুক্ত হবে এবং তা ফেসবুকে আছে কি না, তা দেখা হবে। এতে ফেসবুক ওই ভিডিও মুছে দেওয়া বা ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়ায় যাবে।

সাধারণত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রে কোনো কনটেন্ট সরিয়ে ফেলতে ব্যবহারকারীর ওপর নির্ভর করতে হয়। কনটেন্ট অনুপযুক্ত বা নীতিমালার লঙ্ঘন হিসেবে ব্যবহারকারী ফ্ল্যাগ দেখালে তা অপসারণ করার বিষয়ে ভাবনা-চিন্তা করে প্রতিষ্ঠান।

নতুন ডেটাবেজে ব্যক্তিগতভাবে অপছন্দের কোনো কনটেন্ট যুক্ত হবে না।

জোটে অন্য প্রতিষ্ঠান যাতে যুক্ত হতে পারে তার সুযোগও রাখা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। তথ্যসূত্র: নিউইয়র্ক টাইমস।

 নাজিব