সমুদ্রের লবণাক্ত পানিকে পানের উপযোগী করার একটি প্রযুক্তি আবিষ্কার করেছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবি) কয়েকজন শিক্ষার্থী।
সমুদ্রের পানিতে সোডিয়াম ক্লোরাইড এর পরিমাণ বেশী থাকায় তা পান করা যায় না। অল্প খরচেই তারা ওই প্রযুক্তি আবিস্কার করেছেন। আর এর জন্য সূর্যের আলোকে ব্যবহার করা হয়েছে।
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিভিল এন্ড এনভায়রনমেন্ট ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দুই ছাত্র এ নিয়ে গবেষণায় সাফল্য দেখিয়েছেন। ওই দু ছাত্রের নাম রেজাউল করিম শাওন ও সেফায়েত হোসেন সৌরভ। প্রফেসর ডঃ মোঃ তৌহিদুর রহমানের অধীনে গবেষণার মাধ্যমে এই প্রযুক্তিটি আবিস্কার করা হয়েছে।
রেজাউল করিম শাওন বলেন, বাংলাদেশে এই প্রথম এমন প্রযুক্তি আবিস্কার করা হয়েছে। অন্যান্য দেশে পানি বিশুদ্ধ করার এরকম গবেষণা থাকলেও বাংলাদেশে এই প্রথম।
গ্রাউন্ড ওয়াটার লেভেল দিন দিন কমে যাওয়ায় তারা বিকল্প খাওয়ার পানির জন্য তারা এই গবেষণাটি করেছেন বলে জানিয়েছেন।
প্রযুক্তিটি তৈরি করতে যা যা লাগবে:
১। দুটি পাত্র।
২। কাচ
৩। জিয়াই সীট
৪। প্লাস্টিকের পাইপ
৫। কর্কসীট
কাচ, জিয়াই সীট, কর্কসীট দিয়ে তৈরি করতে হবে সোলার স্টিল।
প্রথম পাত্রটি লবণাক্ত পানি প্রবেশ করানোর জন্য। সোলার স্টিলে সূর্যের তাপে যে বাষ্প হবে সেই বাস্পের পানি অন্য একটি নল দিয়ে অন্য পাত্রটিতে জমা হবে খাওয়ার উপযোগী পানি।
মাত্র চার হাজার টাকা খরচ করে সহজেই এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিশুদ্ধ পানি সরবারহ করা যাবে।
ভবিষ্যতে তারা কারখানায় স্বাদু পানি সরবরাহ করার জন্য রিভার্স অসমোসিস প্রক্রিয়া ব্যবহার করার প্রজেক্ট নিয়ে কাজ করছেন।
উল্লেখ্য, মাত্র কিছুদিন আগেই চালকবিহীন ড্রোন বিমান আবিষ্কার ও তা উড়িয়ে দেখিয়েছেন শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়েরই কয়েকজন শিক্ষার্থী।
[b]ঢাকা, ৫ ফেব্রুয়ারি (টাইমনিউজবিডি.কম)//এমএ[/b]
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
সমুদ্রের লবণাক্ত পানি স্বাদু করার প্রযুক্তি আবিষ্কার
সমুদ্রের লবণাক্ত পানিকে পানের উপযোগী করার একটি প্রযুক্তি আবিষ্কার করেছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবি) কয়েকজন শিক্ষার্থী। সমুদ্রের পানিতে সোডিয়াম ক্লোরাইড এর পরিমাণ বেশী থাকায় তা পান করা যায় না।





