কুকুর তার নাক দিয়ে গন্ধ শুঁকে নেভাতে পারে এমন সুইচ বানিয়েছে বেলজিয়ামের ঘেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল শিক্ষার্থী। প্রতিবন্ধীদের জীবনকে আরও সহজ করতে কুকুরকে দিয়ে ঘরের বাতি নেভানোর ব্যবস্থা করতেই এই উদ্ভাবন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দলটি।
সাধারণত প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা গৃহস্থলীর ছোট-খাট কাজ নিজেরাই করতে পারেন, কিন্তু বাতি নেভানের জন্য তাদের কারও সাহায্য নিতেই হয়। দেখা গেছে, শারিরিকভাবে অক্ষম এমন সব মানুষ কুকুরকে দিয়ে তাদের অনেক কাজ করিয়ে থাকেন।
হেলেন বার্টসন নামের এক নারী হুইল চেয়ারে বসেই যাবতীয় কাজ সামলান। তার কুকুর জেপরক তাকে বিভিন্ন কাজ করে দেয়। কিন্তু সে বাতি নেভাতে পারে না।
হেলেনের মতো অক্ষমদের জন্য এই ব্যবস্থা খুবই কার্যকর। নির্দিষ্ট ডিজাইনের সুইচ ঘরের মেঝেতে পেতে রাখা থাকবে, যা সময়মত কুকুর নিভিয়ে দিবে। এই নতুন সুইচটি একটি লম্বা পেডেলের মতো, যা কুকুর তার নাক দিয়ে ধাক্কা মেরে জ্বালাতে বা নেভাতে পারবে। তবে কুকুরটিকে আগে থেকেই প্রক্রিয়াটি শিখিয়ে দিতে হবে।
সুইচটি একটি ফ্যাবল্যাব লেজার মেশিন দিয়ে কাটা কাঠের উপাদান দিয়ে তৈরি। ভিতরে সিমেন্ট গুঁজে দেওয়ায় এটি যথাস্থানে লেগে থাকার জন্য যথেষ্ঠ। সুইচটির মূল সংযোগ ঘরের উপর তলার মূল সুইচের সঙ্গে লাগাতে হবে। তবে এজন্য দেওয়ালে পুনরায় ওয়ারিং করার প্রয়োজন পড়বে না।
সুইচটির চূড়ান্ত নকশা করার আগে অনেক পরীক্ষা- নিরীক্ষা করেছে দলটি। তারা দেখেছেন, কোন ভাবেই কুকুর দেওয়ালে লাগানে সুইচ পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে না। তাই তারা মেঝেতে রাখা যায় এমন ডিজাইনের সুইচটি বানান।
কাঠের তৈরি এই নির্মাণটি দেখতেও অনেক আকর্ষণীয়। এটি ঘরের সৌন্দর্য্যও বহুগুনে বাড়িয়ে দেবে।
[b]ঢাকা, ২০ মে (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেআই[/b]
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
বাতি নেভাবে কুকুর!
কুকুর তার নাক দিয়ে গন্ধ শুঁকে নেভাতে পারে এমন সুইচ বানিয়েছে বেলজিয়ামের ঘেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল শিক্ষার্থী। প্রতিবন্ধীদের জীবনকে আরও সহজ করতে কুকুরকে দিয়ে ঘরের বাতি নেভানোর ব্যবস্থা করতেই এই উদ্ভাবন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দলটি।





