১৫ দিন সময় বাড়িয়ে আগামী ১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে মোবাইলফোন অপারেটর সিটিসেল প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকম লিমিটেড ও ওয়াইম্যাক্স সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বাংলালায়ন কমিউনিকেশন্স লিমিটেডকে বকেয়া ২৯২ কোটি টাকা পরিশোধে সময় বেঁধে দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা (বিটিআরসি)। বকেয়া টাকার মধ্যে সিটিসেলের কাছে ২৫২ কোটি এবং বাংলা লায়নের কাছে ৪০ কোটি পাওনা রয়েছে বিটিসিএলের।

বেধে দেয়া সময়ের মধ্যে বকেয়া পরিশোধ করা না হলে কোম্পানির স্পেকট্রাম ও ব্যান্ডউইথ বন্ধ করে দেয়ার মতো কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

বিটিআরসির নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বকেয়া রাজস্ব পরিশোধের জন্য এর আগে সিটিসেলকে পাঁচ থেকে ছয়টি এবং বাংলা লায়নকেও পাঁচ থেকে ছয়টি চিঠি দেয়া হয়েছে। তাদের বিষয়ে রেজুলেশনও হয়েছে ছয়টি। বকেয়া পরিশোধের জন্য সময় বেঁধে দেয়া হয়েছে বারবার। তবে কোনো সময়সীমার মধ্যেই বকেয়া পরিশোধ করতে পারেনি কোম্পানি দুটি।

বরং প্রতিবারই তাদের বকেয়ার পরিমাণ বেড়েছে। তাই বিষয়টি নিয়ে বিটিআরসি’র ১৭৫তম কমিশন সভায় আলোচনা হয়। এরপর ১৫ দিনের সময় বেঁধে দিয়ে সিটিসেল ও বাংলা লায়নকে বকেয়া পরিশোধের জন্য চিঠি দিয়েছে বিটিআরসি’র লিগ্যাল ও লাইসেন্স বিভাগ থেকে। বেঁধে দেয়া সেই ১৫ দিনের সময় শেষ হচ্ছে আগামী ১৮ ডিসেম্বর।

সিটিসেল নির্ধারিত সময়ে টাকা দিতে ব্যর্থ হলে তাদের স্পেকট্রাম বন্ধ করার মতো সিদ্ধান্ত বিটিআরসি নিবে বলে জানান ওই কর্মকর্তা।

সংস্থাটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, ওই সভায় উল্লেখ করা হয়েছে সিটিসেল ও বাংলা লায়নকে বকেয়া পরিশোধের জন্য পাঁচ থেকে ছয়টি চিঠি দেয়া হয়েছে। ছয়টি রেজুলেশন আছে তাদের বিষয়ে। তাই এই দুই অপারেটরের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়ার কথা ভাবছে বিটিআরসি। তবে এর আগে বকেয়া পরিশোধের জন্য পুনরায় তাদেরকে সময় দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

এদিকে বিটিআরসি থেকে চিঠি পাওয়ার বিষয়ে সিটিসেলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মেহবুব চৌধুরী নিশ্চিত করলেও বাংলালায়নের চিফ অপারেটিং অফিসার (সিওও) শফিকুল ইসলাম হাতে পাননি বলে জানিয়েছেন।

জেএ