মঙ্গল গ্রহে প্রাণের উপস্থিতি রয়েছে এমন প্রমাণ পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। পৃথিবীর পাশের এই গ্রহটিতে কাঙ্ক্ষিত মিথেন গ্যাসের সন্ধান পাওয়া গেছে। মিথেন গ্যাস প্রাণের অস্তিত্ব প্রমাণ করে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।
বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, এই গ্রহটিতে বাস করছে এমন কোনো জীবাণু থেকে এই গ্যাস তৈরি হয়েছে। প্রতিকূল পরিবেশের এই গ্রহটি বসবাসের যোগ্য ছিল, তার প্রমাণ সংগ্রহের জন্য ২০১২ সাল থেকে মঙ্গলে বিচরণ করছে নাসার ৯০০ কেজি ওজনের রোবটযান 'কিউরিওসিটি রোভার'।
২০১৩ সালে মঙ্গল গ্রহের বায়ুমন্ডলে মিথেনের অস্তিত্ব খুঁজে পেতে ব্যর্থ হয়েছেন বিজ্ঞানীরা। তখন গ্রহটিতে প্রাণের অস্বিস্তের আশা কমে আসে।
তবে সম্প্রতি মঙ্গলের মাটিতে গর্ত খুঁড়ে রহস্যময় মিথেন গ্যাসের সন্ধান পেয়েছে নাসার কিউরিওসিটি রোভার।
নাসার বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, যদি জীবন্ত কোনো অণুজীব থেকে এই গ্যাস তৈরি হয়, তবে তা ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ একটি আবিষ্কার হিসেবে বিবেচিত হবে। আমাদের পরবর্তী লক্ষ্য হচ্ছে এই জৈব উপাদানের উত্স কোথায় তা খুঁজে দেখা। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে আবারও গর্ত করে তা থেকে নমুনা সংগ্রহ করবে কিউরিওসিটি। এরপর তা পরীক্ষা করে আরও নিশ্চিত ফলাফল জানাবে।
২০১৯ সালে ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির রোবটযান মঙ্গলের মাটিতে প্রবেশ করবে। এসময় তাদের রোবট দুই মিটার পর্যন্ত গর্ত খুঁড়ে প্রাণের অস্তিত্ব খুঁজে দেখবে।
২০২০ সাল পর্যন্ত নাসার রোবটযান কিউরিটি রোভার মঙ্গল গ্রহে প্রাণের উপস্থিতির সন্ধানে মিথেনের উৎসের খোঁজে পরীক্ষা চালাবে। (তথ্যসূত্র: দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট)
এমকে





