ইনফরমেশন টেকনোলোজী প্রোফেশনালস এক্সামিনেশন কাউন্সিল(আইটিপিইসি)এর সদস্যপদ লাভ করেন বাংলাদেশ।এবার প্রথম বারের মত ইনফরমেশন টেকনোলজী ইঞ্জিনিয়ার্স এক্সামিনেশনে (আইটিইই)পরীক্ষয় অংশ নিয়ে ১০ জন বাংলাদেশি গৌরবোজ্জ্বল সাফল্য পেয়েছেন।

বিডি-আইটেকের প্রকল্প পরিচালক মো. এনামুল কবির আইটিইই কতৃর্পক্ষের তথ্য অনুযায়ী ১৭ নভেম্বর ২০১৪ এ ফলাফল প্রকাশ করেন।

গত ২৬ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট, চুয়েট, কুয়েট ও রুয়েটে একযোগে আইটিইই পরীক্ষা শুরু হয়।এতে সহযোগীতা করেন জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সী(জাইকা)।বাংলাদেশের ১৮২ জন আইটি পেশাদার সম্পূর্ন বিনা খরচে এ পরীক্ষায় অংশ নেন।

এনামুল কবির বলেন, আইটিইইতে বাংলাদেশের এ সাফল্য আইটি পেশাজীবিদের কাজের গতি বারাবে। পাশাপাশি বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশকে নতুন পরিচয়ে পরিচিত করবে।

জাইকা আইটিইই এর প্রধান উপদেষ্টা হিদিয়ো হোয়া বলেন, তথ্য-প্রযুক্তিতে বাংলাদেশ যে এগিয়ে যাচ্ছে তার প্রমাণ মিললো এ ফলাফলের মাধ্যমে। এ সার্টিফিকেট বাংলাদেশি আইটি পেশাদারদের আন্তর্জাতিক চাকরির বাজারে প্রবেশের পথ অনেকটাই সহজ করছে।

উল্লেখ্য, আইটিইই জাপানে আইটি প্রোফেশনালদের মান নিয়ন্ত্রক জাতীয় পরীক্ষা পদ্ধতি হিসেবে পরিচিত।বছরে পাঁচ থেকে ছয় লক্ষ পরীক্ষার্থী এই পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে থাকেন। এশিয়ার ১৩ টি দেশে মিউচুয়ালি এই পদ্ধতি চালু আছে। বাংলাদেশে এই পরীক্ষা পদ্ধতি চালুর ফলে দেশের আইটি পেশাজীবিগণ তাদের দক্ষতার পরিমাপ করতে পারছেন।

এই সার্টিফিকেট অর্জনের ফলে দেশে ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তাদের গ্রহনযোগ্যতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল এর অধীন “বাংলাদেশ আইটি ইঞ্জিনিয়ার্স এক্সামিনেশন সেন্টার (বিডি-আইটেক)” এর মাধ্যমে দেশে জাপান সরকারের সহায়তায় আইটিইই পরীক্ষা পদ্ধতি চালু করা হয়। এ পরীক্ষাকে তথ্য প্রযুক্তি পেশাজীবিদের দক্ষতার পরিমাপক বলা হয়।

কেএইচ