ভার্চুয়াল সমাজের আবির্ভাবের পর থেকে পাল্টে গেছে পৃথিবীবাসীর জীবন। এমনকি এই অনইলাইন সামাজিকতা প্রভাব বিস্তার করছে মানুষের আচরণেও। সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গেছে, ফেসবুকের মত যোগাযোগের মাধ্যমগুলো দ্বারা ভাইরাসের মত একজনের মানসিক অবস্থা সংক্রমিত হচ্ছে অন্যের মাঝে।
গবেষকরা এতদিন মনে করতেন, শুধুমাত্র সামনাসামনি দেখা হলেই একজনের মানসিক অবস্থা অন্যের উপর প্রভাব বিস্তার করে। কিন্তু সামাজিক মাধ্যমের আবির্ভাবের পর এই অবস্থার কোন পরিবর্তন ঘটছে কিনা তা জানতে ফেসবুক, ক্যালিফোর্নিয়া ইউনিভার্সিটি এবং ইয়েল ইউনিভার্সিটি এই যৌথ গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করে।
এই লক্ষ্যে গবেষক দল ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১২ সালের মার্চ পর্যন্ত ফেসবুকে প্রকাশিত কয়েক শত কোটি স্ট্যাটাস পর্যালোচনা করেন। তারা দেখতে পান, সত্যিই একজনের আবেগ প্রভাবিত করছে অন্যকে। এমনকি প্রতি দুই জনের একজন অন্যের দ্বারা প্রভাবিত হচ্ছেন।
তারা আরও দেখতে পান যে, নেতিবাচক পোস্ট প্রকাশের পর ফেসবুকে সাড়া দেয়ার হার ১ দশমিক ১৬ শতাংশ বেড়ে যায়। আর ইতিবাচক পোস্টের ক্ষেত্রে এই হার বাড়ে ১ দশমিক ১৯ শতাংশ। সূত্র: বিবিসি
[b]ঢাকা, ১৪ মার্চ (টাইমনিউজবিডিডটকম) // ইএইচ[/b]
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
‘ফেসবুক ছোঁয়াচে’
ভার্চুয়াল সমাজের আবির্ভাবের পর থেকে পাল্টে গেছে পৃথিবীবাসীর জীবন। এমনকি এই অনইলাইন সামাজিকতা প্রভাব বিস্তার করছে মানুষের আচরণেও। সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গেছে, ফেসবুকের মত যোগাযোগের মাধ্যমগুলো দ্বারা ভাইরাসের মত একজনের মানসিক অবস্থা সংক্রমিত হচ্ছে অন্যের মাঝে।





