জেনে নিন-
অনেক ক্রেতাই বেশি পরিমাণ র্যাম ও স্টোরেজ দেখে আকর্ষিত হন। কিন্তু এটা ফোন নির্মাতা কোম্পানিগুলোর ব্যবসায়ীক কৌশল ছাড়া আর কিছুই নয়।
ফোন কেনার আগেই কোন কোন কাজে সেটি ব্যবহার করা হবে সে বিষয়ে ধারণা থাকা প্রয়োজন। যদি গান শোনা, ছবি দেখা, গেইম খেলা, সোশ্যাল মিডিয়া ও ইন্টারনেট ব্রাউজিংয়ের মধ্যেই ফোনের ব্যবহার সীমাবদ্ধ থাকে তাহলে ৮ জিবি র্যামের ফোন কেনার যৌক্তিকতা নেই।
বর্তমান বাজারে আইফোন ১০, আইফোন ৮ প্লাস, স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৯ ও গুগল পিক্সেলকেই প্রথম সারির ফোন বলে বিবেচনা করা হয়। কিন্তু এই ফোনগুলোর কোনোটিতেই র্যাম বেশি দেওয়া হয়নি। আইফোন ৮ এর র্যামও ৩/৪ জিবি।
ফোনের গতি নিশ্চিত করতে প্রসেসর ও সফটওয়্যার অপ্টিমাইজেশনই মূল ভূমিকা পালন করে থাকে। ৮ জিবি র্যাম থাকলেই ফোনের গতি বা পারফরম্যান্স ভালো হবে এমন কোনো কথা নেই।
একই ব্যবহারকারী যদি ৬ জিবি ও ৮ জিবি র্যামের দুটি আলাদা ফোন ব্যবহার করেন তাহলে সহজেই তিনি বুঝতে পারবেন ফোন দুটির গতি ও পারফরম্যান্সে তেমন কোনো পার্থক্য নেই।
ডেভেলপাররা চান বেশি পরিমাণ ব্যবহারকারী তাদের গেইম ডাউনলোড করুক। তাই কম র্যাম সমৃদ্ধ ফোনের উপযোগী করেই বেশিরভাগ গেইম বানানো হয়ে থাকে। এতে ব্যবহারকারী সংখ্যা বৃদ্ধি পায়।
কোনো অ্যাপ বা হার্ডওয়ার ব্যবহার করতেও ৮ জিবি র্যামের প্রয়োজন নেই। ৪ জিবি র্যামের ফোনেই এআর কিংবা ভিআর অ্যাপ চালানো যায়।
র্যামের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ফোনের দামও বাড়ানোও হয়ে থাকে। তাই বেশি দাম দিয়ে ৮ জিবি র্যামের ফোন কেনার আগে নিজের প্রয়োজন সম্পর্কে নিশ্চিত হতে হবে।
ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে অনেকেই এমন একটি ফোন কিনতে চান যেটাতে ভারি গেইম ও অ্যাপ চালানো যাবে। কিন্তু ভারি গেইম ও অ্যাপের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার আগেই ৮ জিবি র্যামের ফোনটি পুরানো হয়ে যাবে। তাই ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে ৮ জিবি র্যামের ফোন কেনাটা কতখানি যুক্তি সঙ্গত তাও ভেবে দেখতে হবে।
এনএইচ





