আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস আজ। দিবসটি বাংলাদেশে গুরুত্বের সঙ্গে পালন করা হচ্ছে। দিবসটি উপলক্ষে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে তথ্য অধিকার বিষয়ে র‌্যালি ও সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে। আজ আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবসের প্রধান অনুষ্ঠানে প্রথমবারের মতো রাষ্ট্রপতি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।

এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘তথ্য পেলে মুক্তি মেলে-সোনার বাংলার স্বপ্ন ফলে’। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী পৃথক বাণী প্রদান করেছেন।

আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস উপলক্ষে প্রদত্ত বাণীতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেন, ‘বিশ্বায়নের এ যুগে সঠিক তথ্য অমূল্য সম্পদ। তথ্যই শক্তি। সহজে ও সুলভে সঠিক তথ্য প্রাপ্তি ও ব্যবহার প্রত্যেক মানুষের নাগরিক ও গণতান্ত্রিক অধিকার। সরকার এ অধিকার নিশ্চিতকরণে বদ্ধপরিকর।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রদত্ত বাণীতে বলেন, ‘তথ্য অধিকার আইনের অধিকতর ব্যবহার ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতার মাধ্যমেই জনগণের তথ্যপ্রাপ্তির অধিকার সুপ্রতিষ্ঠিত হবে। গণতন্ত্র ও সুশাসন আরও সুদৃঢ় হবে।’

জনগণের ক্ষমতায়নে তথ্য একটি প্রয়োজনীয় অনুষঙ্গ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জনগণের এ অধিকারকে সম্মান দিয়ে নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী আমরা নবম জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে ‘তথ্য অধিকার আইন-২০০৯’ পাস করি।

এই আইনের আওতায় তথ্য কমিশন গঠন করা হয়। ফলে জনগণ ও গণমাধ্যমের প্রয়োজনীয় তথ্যপ্রাপ্তির অধিকার সুপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে। জনগণের ক্ষমতায়ন ত্বরান্বিত হয়েছে।’


এমএনজে