বাংলাদেশে আজ মঙ্গলবার থেকে ইন্টারনেট গেটওয়েগুলো প্রতি এমবিপিএস (মেগাবিটস পার সেকেন্ড) ব্যান্ডউইথ পাবে ৬২৫ টাকায়, যার মূল্য ছিল ১ হাজার ৬৮ টাকা। খবর বিবিসি বাংলা।
তবে এই দাম কমানোর ফলে কোন সুবিধা পাবেন না সাধারণ গ্রাহকেরা। প্রাথমিকভাবে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে এই সুবিধা কার্যকর হবে।
এই দাম প্রযোজ্য হবে কেবল ১০ জিবিপিএস (গিগাবিটস পার সেকেন্ড) ব্যান্ডউইথ স্ল্যাবের ক্ষেত্রে।
গ্রাহক পর্যায়ে দাম কমানোর বিষয়টি নির্ভর করবে ইন্টারনেট গেটওয়ে ও ইন্টারনেট প্রোভাইডারদের ওপর।
দেশে ইন্টারনেটের দাম নিয়ে ব্যবহারকারীরা বরাবরই অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারদের এ্যাসোসিয়েশনের পরিচালক উথান্ট রব্বানি বলছিলেন এই দাম কমলেও সাধারণ গ্রাহকেরা কোন সুবিধা পাবেন না।
বাংলাদেশে অনেকে মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার করেন ১০ জিবিপিএস ব্যান্ডইউথ বাংলাদেশে কিনে থাকেন বড় বড় সার্ভিস প্রোভাইডাররা। তাই এর প্রথম সুবিধাটা পাবে আইআইজি অপারেটররা।
সেখান থেকে স্থানীয় ভাবে যারা ইন্টারনেটের কানেকশন দিয়ে থাকেন যাদেরকে ‘ক্যাটাগরি-এ আইএসপি’ বলা হয় তারা কিনে থাকেন।
বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা সব সময় একটা অভিযোগ করে থাকেন যে পরিমাণ টাকা তারা দেন সেই মানের ইন্টারনেটের গতি পান না।
সেখানে বাধা টা আসলে কোথায়? মি. রব্বানি বলছেন ‘ক্যাটাগরি-এ আইএসপি’ অর্থাৎ যারা পাড়া-মহল্লায় বাসা বাড়িতে বা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ইন্টারনেট কানেকশন দিয়ে থাকেন তাদের সার্ভিসের কারণে ইন্টারনেট গতি হারাচ্ছে।
তিনি বিষয়টি ব্যাখ্যা করে বলেন "তারা ১ এমবি ব্যান্ডউইথ ১০ জনের মধ্যে ভাগ করে দিচ্ছে। এটাকে বলা হয় ‘কনটেনশন রেশিও’। এর ফলে ১ এমবিপিএস একই সময়ে দশজন ব্যবহার করছে যাতে করে ইন্টারনেটের গতি স্বাভাবিক ভাবেই তারা ভাল পাবে না। যদি ‘ক্যাটাগরি-এ আইএসপি’ পুরো ১ এমবি এক জনের জন্যই বরাদ্দ করে তাহলে ভাল গতি পাবে গ্রাহকেরা"। আর গতি না থাকার এটাই মুল কারণ বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এআই





