কারণ ইউটিউব কর্তৃপক্ষ এবার শর্টস, কমিউনিটি পোস্ট ও লাভ ভিডিওর ক্ষেত্রে বেশি নজর দিতে চায়। পাশাপাশি ইউটিউবের চিরাচরিত লং-ফর্ম কনটেন্ট তো থাকছে।
ক্রিয়েটরদের ইউটিউব স্টোরি বন্ধ হওয়ার ব্যাপারে ইতোমধ্যে জানানো হয়েছে। তাদেরকে একাধিক মাধ্যম থেকে রিমাইন্ডার দেওয়া হয়েছে।
ভারতে টিকটক নিষিদ্ধ হওয়ার পর ইউটিউব স্টোরির জনপ্রিয়তা বেড়েছিল। এই স্টোরির বিষয়টি ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামেও চালু রয়েছে।
২০১৮ সালে স্টোরি ফিচার অফিশিয়ালভাবে ইউটিউবে চালু হয়েছিল। ১০ হাজারের বেশি সাবস্ক্রাইবার থাকলে সেই ক্রিয়েটররা ইউটিউ স্টোরির সুবিধা পান।
বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যেমন ফেসবুক, ইনস্টাগ্রামে যেমন সব ইউজার ইউটিউব স্টোরি আপলোড করতে পারেন। তবে ইউটিউবে সেই সুবিধা কখনই ছিল না।
প্রসঙ্গত, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও স্ন্যাপচ্যাটের মতো একটি নির্দিষ্ট সময়ের পর ইউটিউবে স্টোরিও আর দেখা যায় না। ইনস্টাগ্রামে যদিও স্টোরি হাইলাইটস হিসেবে স্টোরি সেভ রাখা যায়।
তবে ইউটিউবের ক্ষেত্রে ক্রিয়েটরের প্রোফাইলে কোনোভাবেই স্টোরি সেভ করে রাখা যায় না।
এন





