গভীর সমুদ্রে জেলেদের রেডিও ব্যবহারে সচেতন ও নেটওয়ার্ক স্থাপনের জন্য ভেসেল ট্র্যাকিং অ্যান্ড মনিটরিং সিস্টেমের আওতায় চট্টগ্রাম ও খুলনায় টাওয়ার নির্মাণের কাজ চলছে।
‘এ কাজ সম্পন্ন হলে প্রাকৃতিক যেকোনো দুর্যোগে জেলেরা সতর্কবার্তা পাবেন এবং উপকৃত হবেন বলে জানিয়েছেন বরগুনা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বঙ্কিম চন্দ্র বিশ্বাস।’
তিনি বলেন, মৎস্য বিভাগ জেলেদের রেডিও ব্যবহারে আরো বেশি সচেতন করছে।
২০০৭ সালে প্রলয়ঙ্করী সিডরে সমুদ্রে মাছ শিকার করতে যাওয়া বরগুনার চর লাঠিমারা গ্রামের ১৭ জেলে আজও নিখোঁজ রয়েছেন।
মাছ ধরার সময় গভীর সমুদ্রে জেলেদের নৌকা বা ট্রলারে কোনো রেডিও দেয়া হয় না। পাওয়া যায় না মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্ক। সম্প্রতি অগভীর সমুদ্রে সরকারি টেলিফোন সংস্থা টেলিটকের নেটওয়ার্ক কিছুটা পাওয়া গেলেও গভীর সমুদ্রের তা পাওয়া যায় না। এতে জেলেরা সম্পূর্ণ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন।
জেলেদের অভিযোগ, প্রাকৃতিক দুর্যোগে তারা চরম ঝুঁকিতে পড়েন। মৎস্য শিকারে ব্যস্ত জেলেদের কাছে আবহাওয়ার আগাম পূর্বাভাস পৌঁছায় না। অনেক সময়ই তাদের ওপর নেমে আসে প্রকৃতির ভয়ঙ্কর সব বিপদ। সামুদ্রিক ঝড়ে জেলেদের ট্রলারগুলো ভেসে যায় প্রতিবেশি ভারতের উপকূলবর্তী বিভিন্ন স্থানে। অনুপ্রবেশের অভিযোগে কারাবাসও ভোগ করতে হয় তাদের।
তালতলী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মনিরুজ্জামান মিন্টু টাইমনিউজকে বলেন, গভীর সমুদ্রে মোবাইল ফোনেও নেটওয়ার্ক পাওয়া যায় না। ট্রলারে যদি ওয়্যারলেস সিস্টেম দেয়া হয় তাহলে দ্রুত তাদের কাছে যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগের খবর পৌঁছানো সম্ভব।
এমএ





