এখন আর শিশু নেই, বড় হয়েছে হোন্ডার ‘হিউম্যানয়েড’ রোবট আসিমো! ২০০০ সালে যখন আসিমোর প্রথম মডেলটি উন্মোচন করা হয় তখন কেবল থমকে থমকে হাঁটতে শিখেছিল রোবটটি। এক যুগের ব্যবধানে এখন দৌড়াতে শিখেছে আসিমো, এমনকি সাংকেতিক ভাষার ব্যবহারও শিখেছে।
আসিমো রোবট নিয়ে জাপানিজ মোটর গাড়ি নির্মাতা হোন্ডা গবেষণা চালাচ্ছে এক যুগেরও বেশি সময় ধরে।
‘অ্যাডভান্সড স্টেপ ইন ইনোভেটিভ মবিলিটি’-র সংক্ষিপ্ত রূপ আসিমো। বয়জ্যেষ্ঠ ব্যক্তিদের সাহায্য করা যা দুর্যোগ কবলিত এলাকায় উদ্ধার অভিযান চালাতে আসিমো ভূমিকা রাখবে এমন ভাবনা থেকেই আসিমো নিয়ে গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছে হোন্ডা। ফুকুশিমা বিপর্যয়ের পর মাঠপর্যায়েও কাজে নেমেছিল আসিমো।
হোন্ডা আসিমোর সর্বশেষ মডেলটি দেখিয়েছে বুধবার। ৪ ফুট উচ্চতার রোবটটিতে যোগ হয়েছে নতুন ‘আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স’(এআই) ইন্টারফেস। ঘরের ভিতরে একাধিক ব্যক্তি কথা বললেও সবার কন্ঠ আলাদাভাবে চিহ্নিত করতে পারে নতুন আসিমো। প্রতি ঘন্টায় ৯ কিলোমিটার গতিতে দৌড়াতেও পারবে রোবটটি।
তবে দৈনন্দিন জীবনে আসিমোর ব্যবহার নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন রোবোটিক্সের বোদ্ধারা। “মানুষ আর রোবটের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থা তৈরি করতে হোন্ডা যে গবেষণা চালাচ্ছে তা প্রশংসার দাবিদার। তবে বাস্তবতা হচ্ছে ঘরের কাজে ব্যবহারের উপযোগী হিসেবে বিক্রি করতে চাইলে দাম কমাতে হবে আসিমোর।” বলেন সিলিকন ভ্যালি রোবটিক্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অ্যান্ড্রা কি।
ঢাকা, ১৭ জুলাই (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেআই





