২০১১ সালের পর এই প্রথম বাংলাদেশের মাটিতে পূর্ণাঙ্গ ওয়ানডে সিরিজ খেলতে এসেছে অজিরা। এর আগে ২০০৬ সালে সর্বশেষ এখানে ওয়ানডে সিরিজ হয়েছিল। বিশ্বকাপের মতো বড় টুর্নামেন্ট ছাড়া দুই দলের মধ্যে ৫০ ওভারের ম্যাচ খুব একটা দেখা যায়নি। তবে টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি সিরিজে বাংলাদেশে এসে তিক্ত স্মৃতি নিয়েই ফিরতে হয়েছে অস্ট্রেলিয়াকে। এবার ওয়ানডে ফরম্যাটেও সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে চায় স্বাগতিকরা।

দুই দল এখন পর্যন্ত ২২টি ওয়ানডেতে মুখোমুখি হয়েছে। এর মধ্যে অস্ট্রেলিয়া ২০টি জয় পেয়ে একচ্ছত্র আধিপত্য দেখিয়েছে। একটি ম্যাচ পরিত্যক্ত হয় এবং বাংলাদেশের একমাত্র জয়টি আসে ২০০৫ সালের ন্যাটওয়েস্ট সিরিজে। মোহাম্মদ আশরাফুলের ঐতিহাসিক সেঞ্চুরিতে ভর করে সেদিন চমক দেখিয়েছিল টাইগাররা।

এবারের সিরিজে ব্যবধান কমানোর সুযোগ খুঁজছে বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়া দলে নেই তাদের অনেক শীর্ষ তারকা। মিচেল স্টার্ক, প্যাট কামিন্স, মিচেল মার্শ ও ট্রাভিস হেডের মতো ক্রিকেটারদের অনুপস্থিতি টাইগারদের জন্য বাড়তি সুযোগ তৈরি করেছে। এই সিরিজকে ঘিরে তাই চলছে বাড়তি উন্মাদনা।

অজিদের বিপক্ষে আজকের একাদশে প্রায় ৪ বছর পর ওয়ানডে খেলতে নামছেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। ২০২২ সালের আগস্টে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সবশেষ এই সংস্করণে খেলেছিলেন অফ স্পিনিং অলরাউন্ডার। এছাড়া একাদশে জায়গা হয়নি রিশাদ হোসেনের। নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ ওয়ানডের মতো এই ম্যাচেও খেলছেন তানভির ইসলাম।

অস্ট্রেলিয়া দলে ওয়ানডে অভিষেক হয়েছে লিয়াম স্কটের। এই সংস্করণে অস্ট্রেলিয়ার ২৫৩তম ক্রিকেটার তিনি।

বাংলাদেশ একাদশ- তানজিদ হাসান তামিম, সাইফ হাসান, নাজমুল হোসেন শান্ত, লিটন কুমার দাস, তাওহিদ হৃদয়, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, মেহেদী হাসান মিরাজ, তানভির ইসলাম, তাসকিন আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান, নাহিদ রানা

অস্ট্রেলিয়া একাদশ- ম্যাট শর্ট, কুপার কনোলি, জশ ইংলিস, মার্নাস লাবুশেন, অ্যালেক্স কেয়ারি, ক্যামেরন গ্রিন, ম্যাট রেনশ, লিয়াম রেনশ, জাভিয়ের বার্টলেট, নাথান এলিস, অ্যাডাম জ্যাম্পা

এনএইচ