মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) পল্টনের শহীদ নূর হোসেন জাতীয় ভলিবল স্টেডিয়ামে ‘জিয়া আন্তঃভলিবল টুর্নামেন্ট’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আমিনুল বলেন,

“বিসিবির নির্বাচনে সরকারি হস্তক্ষেপ হয়েছে। ক্রীড়া উপদেষ্টা সরাসরি হস্তক্ষেপ করেছেন। প্রতিটি ঘটনার প্রমাণ আমাদের কাছে রয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, আমি অবাক হয়েছি জেনে যে, ক্রীড়া উপদেষ্টা ব্যক্তিগতভাবে অনেক কাউন্সিলরকে হুমকি দিয়েছেন, ভোট দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করেছেন। বেশ কয়েকজন কাউন্সিলর আমাকে ফোন করে জানিয়েছেন, তাদের ডেকে নিয়ে ভয় দেখানো হয়েছে।

বিসিবির নির্বাচন প্রক্রিয়ায় চলমান আইনি জটিলতার বিষয়েও মন্তব্য করেন আমিনুল হক। তিনি জানান, ১৮ সেপ্টেম্বর আমিনুল ইসলাম বুলবুল জেলা ও বিভাগীয় প্রশাসকদের উদ্দেশে এক চিঠি পাঠান, যেখানে অ্যাডহক কমিটির মাধ্যমে কাউন্সিলর মনোনয়নের নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে এই চিঠির বৈধতা নিয়ে রিট দায়ের হওয়ায় বিষয়টি বর্তমানে হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে বিচারাধীন রয়েছে। আমিনুলের ভাষায়, যদি আদালত ওই চিঠিটিকে অবৈধ ঘোষণা করেন, তাহলে বিসিবির সাম্প্রতিক নির্বাচনের বৈধতাও প্রশ্নের মুখে পড়বে।

বিসিবি নির্বাচনে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগও তোলেন বিএনপির এই নেতা। তার ভাষায়, আমার কাছে তথ্য আছে যে, নির্বাচনে অর্থ লেনদেন হয়েছে। এটি দুঃখজনক যে, বোর্ড পরিচালকরা আর্থিক প্রভাবের মাধ্যমে নির্বাচিত হতে পারেন। এতে দেশের ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। আমি মনে করি পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।

এ সময় তিনি জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)-এর কাউন্সিলর মনোনয়ন নিয়েও সমালোচনা করেন। আমিনুল বলেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের একনিষ্ঠ কর্মীদেরও এনএসসি থেকে কাউন্সিলর করা হয়েছে—যা অত্যন্ত অনুচিত। বিসিবির নির্বাচনকে ঘিরে সাপ-বেজির খেলা হয়েছে। এই নির্বাচন দেশের ক্রীড়াপ্রেমী জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি।

এনএইচ