১৪২ রান তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে বাংলাদেশ। মাঝে তাওহীদ হৃদয় ও নুরুল হাসান সোহান প্রতিরোধ গড়লেও সেটা বড় হয়নি। মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতও ফিরে গেছেন আগেভাগে।

১৮ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলার পর নুরুল হাসান সোহানকে নিয়ে এগোচ্ছিলেন তাওহীদ হৃদয়। কিন্তু তার তাদের ৮৮ বলে ৪৯ রানের জুটি ভেঙে যায় ৬৬ রানে। নিয়ামহুরির বলে ডিপ থার্ডে দাঁড়িয়ে হৃদয়ের ক্যাচটা নিয়েছেন কারান। ফেরার আগে ৫৮ বলে ২৫ রান করেন হৃদয়। এরপর মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতও উইকেটে এসে দাড়াতেই পারেননি। অফ স্ট্যাম্পের বাইরের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়েছেন তিনি।

এর আগে ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে ছক্কার চেষ্টায় সীমানায় নিউম‍্যান নিয়ামহুরির চমৎকার ক‍্যাচ হয়ে ফেরেন তামিম। ৮ বলে ৬ রান করেন তিনি। এক ওভার পর ড্রেসিংরুমের পথ ধরেন তিন নম্বরে নামা নাজমুল হোসেন শান্তও। অফ স্টাম্পের বাইরে লেংথ বল দূর থেকেই খেলতে যান তিনি। সেটা ব্যাটের বাইরের কানায় লেগে বল উড়ে যায় ডিপ থার্ডে। সেটা তালুবন্দি করেন বেন কারান।

পরের ওভারে সৌম্যের বিদায়ে আরও বিপাকে পড়েছে বাংলাদেশ। এনগারাভার শর্ট ও অফ স্টাম্পের অনেক বাইরে করা ডেলিভারিতে জোরে কাট করতে যান সৌম্য। তবে বল ঠিকমতো টাইম করতে পারেননি। ব্যাটে লেগে বল চলে যায় ডিপ থার্ডে দাঁড়িয়ে থাকা ফিল্ডারের হাতে। ৬ রান আসে তার ব্যাট থেকে।

হৃদয় ও সোহানের রুখে দাঁড়ানো জুটির পর আর কেউ দাঁড়াতেই পারেনি। মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ৩ রানে আউট হন। মেহেদী হাসান মিরাজ ১০ রান করে আউট হন। রিশাদ হোসেন করেন ৩ রান। তাসকিন আহমেদ আউট হন ৫ রানে।

এস