মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বিকেলে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় গোতামারী ইউনিয়নের বনচৌকি সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় দুটি শটগান ও একটি ওয়াকিটকি ফেলে তারা পালিয়ে যান তারা।

‎জানা গেছে, বিকেলে বনচৌকি সীমান্তের আমঝোল এলাকায় বাংলাদেশি কৃষক লিটন মিয়া ফসলি জমিতে কাজ করার সময় ভারতের ৭৮ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের পাগলিমারি ক্যাম্পের টহলদলের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে বিএসএফ সদস্যরা তাকে মারধর করলে স্থানীয় কৃষকরা একজোট হয়ে ধাওয়া দেন। এতে বিএসএফ সদস্যদের সঙ্গে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে এবং বাধ্য হয়ে তারা দুটি শটগান ও একটি ওয়াকিটকি ফেলে পালিয়ে যান। পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও ওয়াকিটকি বিজিবি’র বোনচৌকি ক্যাম্পে জমা দেন কৃষকরা।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী কৃষক লিটন মিয়া বলেন, ‘বিকেলে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ধান ক্ষেতে কাজ করতে গেলে বিএসএফ এসে বাধা দেন। এতে প্রতিবাদ করলে তারা আমাকে মারধর করে ভারতের অভ্যন্তরে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পরে পাশে থাকা অন্য কৃষকরা এসে আমাকে বিএসএফ সদস্যদের কাছ থেকে উদ্ধার করে। আমার হাতে ও পায়ে প্রচুর মারধর করেছে। আমি এর বিচার চাই।’

খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ১৫ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম। তিনি বলেন, ‘বিএসএফের সঙ্গে কথা হচ্ছে। অধিনায়ক পর্যায়ে পতাকা বৈঠকের আহ্বান জানানো হয়েছে।’

এনএইচ