বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মনিরুল ইসলামের আদালতে এমএ হাশেম রাজু বাদী হয়ে এ মামলার আবেদন করেন।

এ সময় আদালত বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড শেষে শাহবাগ থানায় এ ঘটনায় আর কোনো মামলা আছে কিনা, আগামী সাত দিনের মধ্যে সেই সংক্রান্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য সংশ্লিষ্ট থানার ওসিকে নির্দেশ দেন।

মামলায় উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন- সজীব ওয়াজেদ জয়, সায়মা ওয়াজেদ পুতুল, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, ওবায়দুল কাদের, সালমান এফ রহমান, আসাদুজ্জামান খান কামাল, শেখ ফজলে নুর তাপস, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আখতারুজ্জামান, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড.হারুন অর রশিদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেজবা কামাল, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আবু জাফর মোহাম্মদ শফিউল আলম ভূঁইয়া, মুনতাসির মামুন, অধ্যাপক ড.মিহির লাল সাহা, অধ্যাপক ড.মোহাম্মদ জাফর ইকবাল, প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অনুপম সেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সাবেক উপাচার্য আনোয়ার হোসেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সাবেক উপাচার্য আব্দুল মান্নান, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. এম অহিদুজ্জামান, ইউজিসির সাবেক চেয়ারম্যান নগরবিদ নজরুল ইসলাম, গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ড. ইমরান এইচ সরকার, সংগঠক লাকী আক্তার, অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন, নায়ক ফেরদৌস আহমেদ, নায়েক রিয়াজ, অভিনেত্রী অরুনা বিশ্বাস, অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী, অভিনেত্রী জ্যোতিকা জ্যোতি, অভিনেত্রী শামীমা তুষ্টি, অভিনেত্রী শমী কায়সার, অভিনেতা সাজু খাদেম, অভিনেত্রী আসনা হাবিব ভাবনা, অভিনেত্রী সোহানা সাবা, অভিনেতা মামুনুর রশিদ, নায়েক জায়েদ খান ও রোকেয়া প্রাচী।

এ ছাড়াও আছেন- সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ, মনিরুল ইসলাম, শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, মসিউর রহমান, ড.গওহর রিজভী, ড.তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী, হারুন অর রশিদ, বিপ্লব কুমার সরকার, নাঈমুল ইসলাম খান, নঈম নিজাম, শ্যামল দত্ত, সুভাষ সিংহ রায়সহ প্রমুখ।

মামলার আবেদনে বলা হয়েছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-আন্দোলনের সময়ে গত ৪ আগস্ট বেলা সাড়ে ১১টায় ভুক্তভোগী এমএ হাশেম রাজুর নেতৃত্বে একটি মিছিল কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার থেকে পরিবাগ হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনের মোড়ে এসে পৌঁছান। তখন ছাত্রলীগ, যুবলীগ, আওয়ামী লীগের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা ভিকটিম ও তার সঙ্গীদের গতিপথ রোধ করেন। আসামিরা ছাত্র-জনতাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলিবর্ষণ, হাতবোমা, পেট্রলবোমা ও ককটেল বিস্ফোরণ করেন।

মিছিল ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশের কাঁদানে গ্যাস, পিপার স্প্রে ও ছররা গুলিতে ভিকটিমের ডান চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ সময় তিনি রাস্তায় লুটিয়ে পড়লে অজ্ঞাতনামা ছাত্রলীগ, যুবলীগ এবং পুলিশ সদস্যরা তাকে মারধর করতে থাকেন।