ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূকম্পন কেন্দ্র (ইএমএসসি) জানিয়েছে, সর্বশেষ ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল উত্তর ভেনেজুয়েলার মারাকাই শহরের উত্তর-পশ্চিমে প্রায় ৬১ কিলোমিটার দূরে। রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, রাজধানী কারাকাস ও মারাকাই শহরে এ ভূমিকম্পের কম্পন অনুভূত হয়েছে।

গত বুধবার ভেনেজুয়েলায় ৭ দশমিক ২ ও ৭ দশমিক ৫ মাত্রার দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। এতে রাজধানী কারাকাসসহ উত্তরাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত অন্তত ৯২০ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন কয়েক হাজার মানুষ। এখনো বহু মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকায় প্রাণহানি ও হতাহতের সংখ্যা বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) আশঙ্কা প্রকাশ করেছে, হতাহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে। উদ্ধারকর্মীরা সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়াদের উদ্ধারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

শুক্রবার দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিয়োসদাদো কাবেলো জানান, সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত লা গুইরা অঙ্গরাজ্যের কয়েকটি এলাকায় প্রবেশে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।

অনেক এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দারাই উদ্ধারকাজে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। কেউ কেউ ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার করে আহতদের হাসপাতালে পৌঁছে দিচ্ছেন। সামাজিক মাধ্যমে নিখোঁজ স্বজনদের তথ্যও ভাগাভাগি করা হচ্ছে।

ধ্বংসস্তূপের নিচে সন্তান ও স্বজনদের হারিয়ে ফেলা ২৫ বছর বয়সী জেনিফার পালাসিওস বলেন, “মানুষকে জীবিত উদ্ধার করার কাজ স্থানীয় মানুষই করছে। ধ্বংসস্তূপ সরাতে আমাদের ক্রেন দরকার। এখনো অনেক মানুষ আটকা পড়ে আছেন।” সূত্র: আল জাজিরা।

এমএম