প্রায় এক মিনিটের ভিডিওতে দেখা যায়, স্যান্ডো গেঞ্জি পরা জহুরুল, কাঁধের ওপর শার্ট। বসে আছেন একটি ঘরে বারান্দায় খাটের ওপর। তার বাম হাতে একটি চিকন পাইপের মতো বস্তু। আরেকজন বাম হাতে ফয়েল পেপার ও ডান হাতে গ্যাসলাইট দিয়ে তাপ দিচ্ছেন। এ সময় জহুরুল চিকন পাইপের মতো একটি বস্তু দুই ঠোটে চেপে ধরে ধোয়া নিচ্ছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জহুরুলের বিরুদ্ধে আগে থেকেই মাদক সেবন ও বিক্রির অভিযোগ থাকলেও তা নিয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস করছিলেন না। তবে মাদক সেবনের ভিডিও প্রকাশ পাওয়ার পর এলাকাজুড়ে সমালোচনা চলছে। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় বাসিন্দা ও দলীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে উপজেলায় দলের নাম করে জহুরুল ইসলাম বিভিন্ন ধরনের অপকর্মে লিপ্ত হন। ফলে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুন্নসহ জহুরুলকে নিয়ে দলের নেতাকর্মীরাও বিব্রত অবস্থার মধ্যে পড়েন।
এ বিষয়ে জহুরুল ইসলাম সাগরের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হয়েছে। কিন্ত ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর তার মুঠোফোন বন্ধ থাকায় এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম মধু বলেন, যুবদলে কোনো মাদকসেবী কিংবা সন্ত্রাসীদের জায়গা হবে না। ভিডিওটি নজরে পড়েছে। ইতিমধ্যেই ইউনিয়ন কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এমএম