এই নির্বাহী আদেশের আওতায় মার্কিন নাগরিক ও যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের বিরুদ্ধে আইসিসির তদন্তে যারা সহযোগিতা করেছেন তাদের এবং তাদের পরিবারের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক ও ভিসা নিষেধাজ্ঞা জারি করা হবে।
গত বছর ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আইসিসি। আর বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক করেন ট্রাম্প। এরপরই আইসিসিকে নিষিদ্ধ করার এই নির্বাহী আদেশে সই করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
এর আগের মেয়াদেও ট্রাম্প নেদারল্যান্ডসের হেগে অবস্থিত আইসিসির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ তোলায় তিনি ওই নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন। পরে সদ্য সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন তা প্রত্যাহার করেন।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি বলছে, আইসিসির বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারির আদেশে সই করার পর ট্রাম্প বলেন, আইসিসি অবৈধ। এটি যুক্তরাষ্ট্র ও আমাদের ঘনিষ্ঠ মিত্র ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে ভিত্তিহীন পদক্ষেপ নিচ্ছে।
ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশে বলা হয়েছে, আইসিসি বিপজ্জনক নজির স্থাপন করেছে। আইসিসির এই পদক্ষেপের ফলে মার্কিনিরা বিপদে পড়েছে। মার্কিনিরা হয়রানি, খারাপ আচরণ ও গ্রেফতারের আশঙ্কায় রয়েছে।
এফএইচ