গালিবাফ বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল কার্যত ইরানের মিত্রদের নিয়ে গঠিত প্রতিরোধ অক্ষকে স্বীকৃতি দিতে বাধ্য হয়েছে। এটি এই সমঝোতা স্মারকের অন্যতম বড় অর্জন।’
ইরানের নেতৃত্বাধীন ‘প্রতিরোধ অক্ষ’-এ লেবাননের হিজবুল্লাহ, ইয়েমেনের হুথি, গাজার হামাস এবং ইরাকের কয়েকটি সশস্ত্র গোষ্ঠী রয়েছে।
গালিবাফ আরও দাবি করেন, এই সমঝোতা স্মারক সামরিক ও রাজনৈতিক—উভয় দিক থেকেই ‘যুক্তরাষ্ট্রের পরাজয়’ এবং ‘প্রতিরোধ অক্ষের সাফল্য’।
একই সঙ্গে তিনি বলেন, শক্তিশালী কূটনীতির ভিত্তি হলো পূর্ণ সামরিক প্রস্তুতি। তার দাবি, ইরানকে দুর্বল মনে করলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল আবারও যুদ্ধের পথ বেছে নিতে পারে।
এনএইচ