জার্মান রিসার্চ সেন্টার ফর জিওসায়েন্সেস (জিএফজেড) ভূমিকম্পের তথ্য নিশ্চিত করেছে।
জিএফজেড জানিয়েছে, উত্তর তিব্বতে আঘাত হানা ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে। এর কেন্দ্র ছিল নেপাল-চীন সীমান্তবর্তী অঞ্চল থেকে কয়েক শ মাইল উত্তরে।
এর আগে বুধবার তিব্বতের বিভিন্ন এলাকায় আকস্মিক বন্যায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। এর মধ্যেই নতুন করে ভূমিকম্প আঘাত হানায় উদ্বেগ আরও বেড়েছে।
বুধবার তিব্বতের নাগকু এলাকায় ৪ দশমিক ৭ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। চীনের ভূমিকম্প নেটওয়ার্ক কেন্দ্রের বরাত দিয়ে রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া এ তথ্য জানিয়েছিল।
পরপর ভূমিকম্পের পাশাপাশি বন্যা ও হিমবাহধসের ঘটনায় তিব্বতের দুর্গত এলাকাগুলোতে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।
এদিকে তিব্বতে একটি ‘ব্যারিয়ার লেক’ বা প্রাকৃতিকভাবে পানি আটকে সৃষ্টি হওয়া হ্রদের বাঁধ ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বাঁধটি ভেঙে গেলে আকস্মিকভাবে বিপুল পরিমাণ পানি নিচের দিকে নেমে গিয়ে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।
এমন আশঙ্কায় চীন জরুরি ভিত্তিতে চতুর্থ স্তরের ‘ফ্লাড রেসপন্স’ ব্যবস্থা চালু করেছে।
চীনের পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে হ্রদের পানির স্তর এবং বৃষ্টিপাতের পরিস্থিতি ২৪ ঘণ্টা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের নির্দেশ দিয়েছে।
পরিস্থিতি দ্রুত পর্যালোচনা এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে বিশেষজ্ঞদের একটি প্রতিনিধি দল গিরং কাউন্টিতে পাঠানো হয়েছে।
প্রাকৃতিক দুর্যোগের একের পর এক আঘাতে তিব্বতের দুর্গত অঞ্চলগুলোতে এখন সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি রয়েছে।
এস