ওয়াশিংটন ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’ ঘোষণার চার দিন পর তেহরানে পৌঁছে দেশটির শীর্ষ আলোচক এবং ক্ষমতসীন ইসলামি প্রজাতান্ত্রিক সরকারের অন্যতম মুখপাত্র মোহাম্মদ বাকের গালিবাফের সঙ্গে বৈঠক করেছেন কাতারের প্রধানমন্ত্রী এবং সে বৈঠকে ইরানকে ফের কূটনৈতিক আলোচনায় ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
আল-থানির এ আহ্বানের উত্তরে গালিবাফ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের প্রতিবেশী দেশগুলোর ভূখণ্ড ব্যবহার করে ইরানের ওপর হামলা সম্পূর্ণ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে তেহরান ফের কূটনৈতিক আলোচনায় আসতে পারে।
আল-থানি এবং গালিবাফের বৈঠকে ইরানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা সংস্থা সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের নির্বাহী প্রধান মেজর জেনারেল মোহসেন রেজায়িও ছিলেন। তিনি বলেছেন, ইরান শিগগিরই হরমুজ প্রনালী খুলে দেওয়ার ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে আসবে এবং যুক্তরাষ্ট্র যদি সত্যিই আলোচনা চায়— তাহলে ইরানের হরমুজ বিষয়ক পদক্ষেপ গ্রহণের আগেই তা শুরু করতে হবে।
তেহরান সফর শেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় আল থানি বলেছেন, তেহরানের সঙ্গে আলোচনায় তিনি হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ-নৌযানের মুক্ত চলাচলের ওপর জোর দিয়েছেন। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রণালীর মধ্য দিয়ে একটি অস্থায়ী যৌথ ইরান-ওমানি নৌ-পরিবহন করিডোর স্থাপন এবং মাইন অপসারণের একটি যৌথ প্রকল্প নিয়েও আলোচনা করেছেন তিনি।
রয়টার্স
এমএম