বৃহস্পতিবার (২০ মার্চ) নির্বাচন ভবনে নিজ দফতরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এমন অভিমত প্রকাশ করেন তিনি।
মো. আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, নির্বাচন বিষয়ে অনেকেই তো বিতর্কিত। নির্বাচনে ভবিষ্যতে যাতে বিতর্কের সৃষ্টি না হয়, অস্বচ্ছতা যেন না হয়, সেজন্য আমরা সর্বোতভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছি। ইনশল্লাহ বিতর্কের সৃষ্টি হবে না।
তিনি বলেন, যারা বিতর্কিত ছিলেন তাদের বিষয়ে সরকার কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছেন, তাদের তো চাকরি চলে গেছে। শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হোক বা প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হোক, সরকারও নিচ্ছে কমিশনও নিচ্ছে। ভবিষ্যতে হবে না এমনটাই মনে করি। সুনির্দিষ্ট পদপদবীর বিষয় না৷ একটা সুন্দর সচ্ছ নির্বাচন, এবং নজিরবিহীন সুন্দর নির্বাচনের জন্য যা যা করা প্রয়োজন নির্বাচন কমিশন প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।
রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন বিজ্ঞপ্তি স্থগিত হওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, আদালত থেকে রুলের আদেশ এখনো আসেনি। আসলে সেটা দেখার পর বলতে পারবো সুনির্দিষ্টভাবে আদেশ না দেখে বলা যাবে না। আগামী সপ্তাহে রায়ের কপি হয়তো পাব, তখন বলতে পারব।
নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থা বাতিল করা হবে এমন বিষয় সামনে আনলে তিনি বলেন, আমরা একটা খসড়া দাঁড় করেছি পর্যবেক্ষকদের জন্য। কিছু কিছু পর্যবেক্ষক তো বাতিল হবেই। যদি কমিশন মনে করে সবগুলো বাতিল হবে, তো বাতিল হবে।
এর আগে সকাল ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ এজেন্ডা নিয়ে বৈঠক বসেছিলেন ইসি মো. আনোয়ারুল ইসলাম। বৈঠকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ সংক্রান্ত, রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন সংক্রান্ত, নির্বাচন পর্যবেক্ষণ দেশি ও বিদেশি পর্যবেক্ষকদের জন্য নীতিমালা প্রণয়ন সংক্রান্ত, ভোটকেন্দ্র স্থাপন নীতিমালা সংক্রান্ত নির্বাচন আচরণ বিধি পরিবীক্ষণ কার্যক্রম সংক্রান্ত ইস্যু ছিল।
এমএম