সোমবার সকাল ১০টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে ফলাফল ঘোষণা নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, এবার এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার আগের বছরের চেয়ে প্রায় ৬ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যা ২২ হাজার ৩৫৬ জন কমেছে। তবে এবার পরীক্ষার্থীদের যথাযথ নম্বর দেওয়া হয়েছে এবং ফলাফল সুন্দর হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, আগে কী হয়েছে, সেটা বলতে চাই না। এবার পরীক্ষার্থীরা যে যা নম্বর পেয়েছে, তাকে সেটাই দেওয়া হয়েছে। তবে নতুন সুবিধা হিসেবে এবার আইনে ব্যবস্থা রাখা হয়েছে যে, প্রত্যেক শিক্ষার্থী তার খাতা পুনর্নিরীক্ষণের (রিভিউ) সুযোগ পাবে। এই রিভিউ কমিটির সামনে খাতা আবার পরীক্ষা করা হবে এবং কোনো ভুল থাকলে বা শিক্ষার্থী যা পাওয়ার উপযুক্ত তা না পেলে তা সংশোধন করা হবে।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এবারের ফলকে খারাপ বলছেন কেন, সুন্দর রেজাল্ট হয়েছে। মন খুলে তো নম্বর দেয়া যায় না। শিক্ষার্থীরা যে পরিমাণ পড়ে, সে পরিমাণ নম্বর পেলে শিক্ষামন্ত্রী সন্তুষ্ট। কেউ না পড়লে তাকে নম্বর বাড়িয়ে দিতে শিক্ষামন্ত্রী সন্তুষ্ট হয় না।
এদিকে এ বছর শূন্য পাস শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে। ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের ৫৭টি বোর্ডে কেউ পাস করেনি। আগের বছর এই সংখ্যা ছিল ৪৮। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে শূন্য পাস শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৮৬ থেকে বেড়ে ২২৬টি হয়েছে। আর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে শূন্য পাস শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২৯। গতবার সব প্রতিষ্ঠান থেকেই পাস করেছিল।
এ সময় আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান বলেন, বরাবরের মতো এবারও ইংরেজি, গণিত এবং বাংলায় ফেলের হার বেশি হওয়ায় সামগ্রিক পাসের হার কমেছে।
ফলাফল উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন, শিক্ষাসচিব আবদুল খালেকসহ সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এমএম