বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, খুন, অপহরণ, ধর্ষণ, অস্ত্র মামলা ও নারী নির্যাতনসহ বিভিন্ন অপরাধের মাসিক তথ্য পুলিশ সদর দপ্তরে নিয়মিত সংগ্রহ ও হালনাগাদ করা হয়। দেশের প্রতিটি জেলা থেকে পাওয়া এসব তথ্য কেন্দ্রীয়ভাবে সংকলনের পর সার্বিক অপরাধচিত্র পর্যবেক্ষণ করা হয়।

তিনি বলেন, ২০২৫ সালের তুলনায় বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনেক ভালো। এ বিষয়ে পুলিশের কাছে তথ্য-উপাত্ত রয়েছে এবং তা যাচাই করা সম্ভব।

শিশু নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি বেড়েছে—এমন তথ্যের বিষয়ে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ভিন্ন কোনো পরিসংখ্যান থাকলে তা যাচাইয়ের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে দেওয়া উচিত।

সরকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কতটা সন্তুষ্ট—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে সরকার সন্তুষ্ট। তবে জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী আরও উন্নতি করতে কিছুটা সময় লাগবে।

সাম্প্রতিক ছিনতাইয়ের ঘটনায় এক শিক্ষিকার মৃত্যুর প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ঘটনার ১২ ঘণ্টার মধ্যেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার এবং মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। পরে গোয়েন্দা পুলিশ আরও কয়েকজনকে গ্রেফতার করে মালামাল জব্দ করে আদালতে সোপর্দ করেছে।

ছিনতাইকারীরা এখনও সক্রিয়—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধারাবাহিক অভিযানের কারণে ছিনতাইয়ের প্রবণতা কমেছে এবং ভবিষ্যতে তা আরও কমবে।

পুলিশ বাহিনীর ভেতরে থেকে কেউ সরকারকে বিব্রত করতে বা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে গোপনে বাধা দিচ্ছেন কি না—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, এ ধরনের কোনো তথ্য থাকলে তা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে দিতে হবে। বাহিনীর অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা কার্যক্রমের মাধ্যমেও বিষয়গুলো নজরদারিতে রাখা হচ্ছে।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও ভালো হবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষের প্রত্যাশা অনুযায়ী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও উন্নতি করা সম্ভব হবে।

এস