রোববার ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াত কার্যালয়ে আয়োজিত এক সমাবেশে দেলাওয়ার হোসেনকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়। জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চলের পরিচালক মাওলানা আবদুল হালিম এ ঘোষণা দেন।
দেলাওয়ার হোসেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য। পাশাপাশি তিনি ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি এবং বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি।
এর আগে গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী ছিলেন দেলাওয়ার হোসেন। ওই নির্বাচনে বিএনপির তৎকালীন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২ লাখ ৩৮ হাজার ৮৩৬ ভোট পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। দেলাওয়ার হোসেন পেয়েছিলেন ১ লাখ ৪১ হাজার ১৭ ভোট।
রোববারের সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির বেলাল উদ্দিন প্রধান। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চলের সহকারী পরিচালক অধ্যক্ষ মাওলানা মমতাজ উদ্দিন, অঞ্চল টিমের সদস্য ও ঠাকুরগাঁও জেলার সাবেক আমির মাওলানা আব্দুল হাকিম, দিনাজপুর জেলার সাবেক আমির আনোয়ারুল ইসলাম এবং পঞ্চগড় জেলা জামায়াতের আমির ইকবাল হোসেনসহ অন্যরা।
সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা আবদুল হালিম বলেন, বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার প্রধান মাধ্যম নির্বাচন। জামায়াতে ইসলামী একটি গণতান্ত্রিক দল হিসেবে দেশের সব নির্বাচনে অংশ নিয়ে থাকে। জনগণ স্বাধীনভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারলে এবং নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হলে ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী বিজয়ী হবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, বিগত নির্বাচনে জনগণ উৎসাহের সঙ্গে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়েছিল। জামায়াত নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করবে—এমন প্রত্যাশা মানুষের মধ্যে ছিল। তবে নির্বাচন দৃশ্যত সুষ্ঠু হলেও ফলাফল জালিয়াতির মাধ্যমে জামায়াতের বিজয় ঠেকিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অনেকে মনে করেন।
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনকে সামনে রেখে দেলাওয়ার হোসেনকে প্রার্থী ঘোষণা করায় এবার একই আসনে আগের নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা নতুন মাত্রা পেল।
এনএইচ