হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন হেফাজতের সিনিয়র নায়েবে আমির ও দারুল উলুম হাটহাজারীর মহাপরিচালক আল্লামা মুফতি খলীল আহমদ কাসেমী, নায়েবে আমির আল্লামা আব্দুল হামিদ (পীর সাহেব মধুপুর), মাওলানা সালাউদ্দিন নানুপুরী, মুফতি জসিম উদ্দিন, মাওলানা সাজিদুর রহমান, মাওলানা আব্দুল আওয়াল, মাওলানা মাহফুজুল হক, মাওলানা মহিউদ্দিন রাব্বানী মাওলানা আইয়ুব বাবুনগরী, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সভাপতি মাওলানা উবাইদুল্লাহ ফারুক, সহসভাপতি মাওলানা আব্দুর রব ইউসুফী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির ভারপ্রাপ্ত আমির মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম সোবহানী, ইসলামি ঐক্য জোটের চেয়ারম্যান মাওলানা আব্দুল কাদের, খেলাফত আন্দোলনের আমির মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজী, খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমির মাওলানা সাখাওয়াত হোসেন, ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব মাওলানা গাজি আতাউর রহমান।
সভায় উপস্থিত সাত দলের নেতাদেরকে আগামীতে ঐক্যবদ্ধভাবে পথ চলার নতুন বার্তা দেওয়া হয়। প্রতিটি দলের নেতারা সেই বিষয়ে একমত পোষণ করেন এবং আগামীতে ঐক্যবদ্ধ থাকবেন বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন এমন একজন বলেন, ‘কওমি ঘরানার আলেমরা জামায়াত জোটে থাকার কারণে কিছু শিক্ষার্থী দলটিতে যোগদান করেছেন। ভবিষ্যতে এ সংখ্যা আরো বাড়তে পারে। তাই এখনই আমাদের সচেতন হতে হবে। অনেকে অবশ্য বিএনপিতেও যোগদান করছেন। কিন্তু সেই বিষয়ে হেফাজতে ইসলামের কোনো মাথা ব্যাথা নেই। কেননা, বিএনপি কোনো ধর্মীয় দল নয়; সেখানে কেউ যোগদান করলে আকিদায় কোনো সমস্যা হবে না। কিন্তু কেউ যদি জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করে, তাহলে তার আকিদা নষ্ট হয়ে যাবে। তাই জামায়াতে যোগদানের বিষয়টি অবশ্যই প্রতিহত করতে হবে।’
১৬ জুলাইয়ের সেই বৈঠকে শিক্ষার্থীদের জামায়াতে যোগদানের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে স্বীকার করে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নায়েবে আমির ও খেলাফত মসলিসের নায়েবে আমির মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী বলেন, ‘আমাদের বৈঠকের এজেন্ডায় এটা ছিল না। কিন্তু প্রসঙ্গক্রমে আলোচনা হয়েছে। জামায়াতের সাথে আমাদের আলেমদের জোট থাকায় শিক্ষার্থীরা সেই দলের প্রতি ঝুঁকে পড়ছেন। এ জন্যই হেফাজতের পক্ষ থেকে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। কেননা অনেক আলেম এখনো জামায়াতে ইসলামীকে হকপন্থিদের ইসলামী দল মনে করেন না।’
তিনি আরো বলেন, ‘কওমি তরুণদের একটা অংশ বিএনপির দিকেও ঝুঁকে পড়ছেন। সেই দলে যোগও দিচ্ছেন। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, সেই বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। এই বিষয়ে অবশ্যই আলোচনার দাবি রাখে।’
এমএম