অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট হাতে সবচেয়ে বড় প্রতিরোধ গড়েন ক্যামেরন গ্রিন। দলের ব্যাটিং বিপর্যয়ের মধ্যেও দুর্দান্ত সেঞ্চুরি তুলে নেন তিনি। ২০১ বলের ইনিংসে চারটি চার ও একটি ছক্কায় ১০৪ রান করেন এই অলরাউন্ডার।

তবে শেষ পর্যন্ত গ্রিনের প্রতিরোধ ভাঙেন হাসান মাহমুদ। নিচু হয়ে আসা তার একটি ডেলিভারি সামলাতে ব্যর্থ হয়ে স্টাম্প হারান গ্রিন। তার বিদায়ের পর দ্রুতই অস্ট্রেলিয়ার শেষ উইকেটগুলো তুলে নেয় বাংলাদেশ।

এর আগে মিচেল স্টার্ককে সঙ্গে নিয়ে প্রতিরোধ গড়েছিলেন গ্রিন। তাদের ৪৭ রানের জুটি অস্ট্রেলিয়াকে কিছুটা স্বস্তি দিলেও লাঞ্চের পরপরই সেই জুটি ভাঙেন তাসকিন আহমেদ। ৩৪ বলে ১৮ রান করা স্টার্ক উইকেটের পেছনে লিটন দাসের হাতে ক্যাচ দেন। আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করেও বাঁচতে পারেননি তিনি।

অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং ধস ত্বরান্বিত করেন মেহেদী হাসান মিরাজ। তার ঘূর্ণিতে একে একে সাজঘরে ফেরেন অ্যালেক্স ক্যারি, বাউ ওয়েবস্টার ও প্যাট কামিন্স। শেষদিকে নাথান লায়নকে ১৫ রানে এলবিডব্লিউ করে ইনিংসের সমাপ্তি টানেন মিরাজ।

এই পারফরম্যান্সের মাধ্যমে টেস্ট ক্যারিয়ারে ১৫তমবারের মতো পাঁচ উইকেটের দেখা পেলেন মিরাজ।

এর আগে প্রথম ইনিংসে ৪২৬ রান করে অস্ট্রেলিয়ার চেয়ে ২২৮ রানের লিড নেয় বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ইনিংসে ক্যামেরন গ্রিনের সেঞ্চুরির সুবাদে স্বাগতিকরা ২৮৪ রান সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়।

এখন ডারউইনে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম টেস্ট জয়ের ইতিহাস গড়তে বাংলাদেশের প্রয়োজন আর মাত্র ৫৭ রান।

এনএইচ