রোববার (১৬ আগস্ট) সকালে ভাটারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
পুলিশ জানায়, শনিবার রিধিকার মা বাদী হয়ে ভাটারা থানায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা করেন। ওই মামলায় হাসিবুর রহমানকে আসামি করা হয়েছে।
ওসি জানান, ঘটনার দিন রিধিকাকে দেখতে তাঁর বাসায় গিয়েছিলেন হাসিবুর। সেখান থেকেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার (১৫ আগস্ট) ভোরে ভাটারা থানা এলাকার একটি বাসা থেকে রিধিকার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, মৃত্যুর আগে হাসিবুরের সঙ্গে তাঁর কথাকাটাকাটি ও ঝগড়া হয়েছিল।
পরে রিধিকাকে উদ্ধার করে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, ঘটনার সময় রিধিকা তাঁর প্রেমিকের সঙ্গে ভিডিও কলে ছিলেন। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হলেও এর পেছনের পরিস্থিতি এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় হাসিবুরকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। তদন্ত শেষে রিধিকার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং এতে অন্য কারও সংশ্লিষ্টতা ছিল কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
এনএইচ