মঙ্গলবার (১৯ মে) রাজধানীর বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রে বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতি (বিএনডব্লিউএলএ) আয়োজিত ‘অভিবাসন অধিকার ও ন্যায়বিচার প্রাপ্তি’ শীর্ষক এক ‘প্রেস ক্যাফে’তে তারা এসব বলেন।

সুইজারল্যান্ড সরকারের অর্থায়নে এবং হেলভেটাস বাংলাদেশের কারিগরি সহায়তায় বাস্তবায়িত 'স্ট্রেনদেনড অ্যান্ড ইনফর্মেটিভ মাইগ্রেশন সিস্টেমস (সিমস)’ প্রকল্পের আওতায় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ এবং গন্তব্য দেশ উভয় জায়গাই অভিবাসী কর্মীরা প্রতিনিয়ত নানাবিধ গুরুতর প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হচ্ছেন। বিশেষ করে নারী ও পুরুষ শ্রমিকরা যেভাবে প্রতারণা ও শোষণের শিকার হন, সেই তুলনায় তারা আইনি প্রতিকার বা ন্যায়বিচার পান না বললেই চলে।

এই পরিস্থিতি উত্তরণে গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে একটি বিশেষ পর্ব পরিচালনা করেন অভিবাসন বিশেষজ্ঞ আসিফ মুনির এবং জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক কুররাতুল-আইন-তাহমিনা। তারা অভিবাসন খাতে সাধারণ মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধি, প্রমাণ-ভিত্তিক নৈতিক সাংবাদিকতা এবং অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

আলোচকরা বলেন, অভিবাসী শ্রমিকদের নানাবিধ সমস্যা ও প্রতারণার চিত্র গণমাধ্যমে যখন বস্তুনিষ্ঠ ও অনুসন্ধানমূলকভাবে উঠে আসে, তা একদিকে যেমন জনসচেতনতা বাড়ায়, অন্যদিকে দায়িত্বশীল পক্ষগুলোকে কার্যকর সমাধান ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণে বাধ্য করে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএনডব্লিউএলএ-এর সভাপতি সীমা জহুর। তিনি অভিবাসী শ্রমিকদের, বিশেষ করে নারী শ্রমিকদের আইনি অধিকার রক্ষায় আইনি সহায়তাকারী সংস্থা ও গণমাধ্যমের সমন্বিত ভূমিকার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন সংগঠনের পরিচালক মোর্শেদ বিলাল খান।

এছাড়াও বক্তব্য দেন হেলভেটাস বাংলাদেশ-এর সিমস প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক প্রেমাংশু শেখর সরকার। অনুষ্ঠানে প্রকল্পের বিস্তারিত তুলে ধরেন বিএনডব্লিউএলএ-এর প্রোগ্রাম অফিসার মো. হানিফ মাহমুদ।

এমএম