সোমবার (১০ নভেম্বর) এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট এই রায় দেন।
১৯৬৯ সাল থেকে বাগেরহাটে চারটি সংসদীয় আসনে নির্বাচন হয়ে আসছিল। দীর্ঘ সময় ধরে এই কাঠামো বজায় ছিল। তখনকার সীমানা ছিল: বাগেরহাট-১ (ফকিরহাট-মোল্লাহাট-চিতলমারী), বাগেরহাট-২ (বাগেরহাট সদর-কচুয়া), বাগেরহাট-৩ (রামপাল-মোংলা) ও বাগেরহাট-৪ (মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা)।
সম্প্রতি প্রকাশিত ইসির চূড়ান্ত সীমানার গেজেট অনুযায়ী বর্তমান আসনের সীমানা: বাগেরহাট-১ (বাগেরহাট সদর-চিতলমারী-মোল্লাহাট), বাগেরহাট-২ (ফকিরহাট-রামপাল-মোংলা) ও বাগেরহাট-৩ (কচুয়া-মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা)।
ভোটারের হার হিসেবে বাগেরহাটের একটি আসন কমিয়ে গাজীপুরে একটি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। এর প্রতিবাদে বাগেরহাটে হরতালসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হয়। উচ্চ আদালতের রায় বাগেরহাটবাসীর পক্ষেই গেল।
এমএম