রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়ে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস আলীকে মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান অপহরণ করেছিলেন, তা প্রমাণিত।
তিনি আরো বলেন, তদন্ত ও প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে ইলিয়াস আলীর অপহরণের ঘটনায় জিয়াউল আহসানের সম্পৃক্ততা প্রমাণিত হয়েছে।
এর আগে গুম ও শতাধিক মানুষকে হত্যার মামলায় জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।
জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে গাজীপুরে তিনজনকে হত্যা ছাড়াও বরগুনার পাথরঘাটার চর-দুয়ানিতে ৫০ জন হত্যা, বনদস্যু দমনের নামে সুন্দরবনে বন্দুকযুদ্ধের নাটক সাজিয়ে বেশ কয়েকজনকে হত্যার ৩টি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছিল তার বিরুদ্ধে।
এদিকে আওয়ামী লীগ আমলে সংঘটিত শতাধিক গুম-খুনের ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছেন তারই একসময়কার রানার সেনা কর্মকর্তা ইমরুল কায়েস।
জবানবন্দিতে বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীর গুমের বর্ণনা তুলে ধরেছেন তিনি।
রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর সদস্য বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
এস