শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) তাদের ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে হাজির করে রিমান্ডে নেয়ার ওই আবেদন করে সিটিটিসি।

গ্রেপ্তারকৃত ১১ জন হলেন, মো. শিহাব উদ্দিন, মারুফ আহমেদ, সাইফুর রহমান খান, মো. কামরুল ইসলাম, মো. সাইফ হোসেন, আফিজ আহমেদ, মো. মুহাইমিনুল হক, লাকি চৌধুরী, শাহাদাত হোসেন, সাকির আহমেদ ও জুনায়েদ আহমেদ।

​এর আগে ১১ যুবকের বিরুদ্ধ তেজগাঁও ও শেরেবাংলা নগর থানা এলাকার ঘটনার প্রেক্ষিতে শেরেবাংলা নগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নম্বর- ৩৬৯) করা হয়। পরবর্তীতে সিটিটিসি'র তদন্তকারী কর্মকর্তা আসামিদের আদালতে সোপর্দ করে ৭ দিনের রিমান্ডের প্রার্থনা জানান।

রিমান্ড আবেদনে সিটিটিসির পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মো. কামরুল হোসেন উল্লেখ করেন, আসামিদের ব্যবহৃত ডিভাইস, ডিজিটাল আলামত, ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, টেলিগ্রাম, সিগন্যাল ও ইনস্টাগ্রামের বার্তা, অডিও-ভিডিও যাচাই এবং উগ্রবাদী কাজের আর্থিক যোগানদাতা ও অন্যান্য সহযোগীদের পরিচয় শনাক্ত করতে আসামিদের গভীরভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।

সিটিটিসি সূত্রে জানা গেছে, গত ১৬ মার্চ ২০২৬ তারিখ বিকেলে রমনা পার্ক ও আশপাশের এলাকায় উগ্রবাদী মতাদর্শের অনুসারী একদল যুবক জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর উদ্দেশ্যে সমবেত হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিটিটিসি এবং স্থানীয় থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

প্রাথমিক তদন্ত ও আসামিদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন পরীক্ষায় জানা যায়, গ্রেপ্তারকৃত সকলেই হোয়াটসঅ্যাপ-এর ‘মিথ্রাস’ নামক একটি গোপন গ্রুপের সদস্য। এই গ্রুপের মাধ্যমে তারা উগ্রবাদী বার্তা আদান-প্রদান, চরমপন্থি মতাদর্শ ছড়ানো এবং অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করত।

এদিকে আদালতে উপস্থাপিত নথিতে দেখা যায়, মূল আসামি মো. শিহাব উদ্দিনের বিরুদ্ধে ২০২১ সালে নরসিংদীর পলাশ থানায় সন্ত্রাস বিরোধী আইনে একটি মামলা রয়েছে।

এছাড়া ২ নম্বর আসামি মারুফ আহমেদের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় একটি দণ্ডবিধির মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

এমএম