বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার কানসাট ইউনিয়নের কারবালা পুকুরপাড় এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। নিহত সেরাজুল ইসলাম সেলিমাবাদ গ্রামের আবেদ আলীর ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে সেরাজুল ইসলাম পাওয়ার টিলার নিয়ে নিজ বাড়িতে ফিরছিলেন। ওই একই সময়ে শিবগঞ্জ উপজেলা পরিষদের দুই কর্মচারী মোরসালিন ও শাহিন কাদের মোটরসাইকেলে করে ওই এলাকা অতিক্রম করছিলেন। হঠাৎ করেই একদল ক্ষিপ্ত ভিমরুল তাদের ওপর আক্রমণ শুরু করে। আত্মরক্ষার জন্য তারা দ্রুত পাশের একটি পুকুরে ঝাঁপ দেন, কিন্তু ততক্ষণে কামড়ের তীব্রতায় তারা অসুস্থ হয়ে পড়েন।

পরে স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সেরাজুল ইসলামকে মৃত ঘোষণা করেন। তার অবস্থা এতটাই সংকটাপন্ন ছিল যে, হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই তিনি প্রাণ হারান।

অন্য দিকে, আহত দুইজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ভিমরুলের এই তাণ্ডবে পথচারীসহ এলাকার আরও অন্তত ১০ জন বাসিন্দা আহত হয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।

শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কামাল উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, হাসপাতালে আনা রোগীদের মধ্যে সেরাজুল ইসলাম মৃত ছিলেন এবং বাকি দুইজনকে বিশেষায়িত চিকিৎসার জন্য দ্রুত রেফার করা হয়েছে। তার মধ্যে একজন ইউএনওর ড্রাইভার ছিলেন। এছাড়াও আরও কিছু ব্যক্তির ভিমরুলের কামড়ে আক্রান্ত হওয়ার খবর শুনেছি। তবে, তারা হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা নিতে আসেননি।

এমএম