স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মণিকা গ্রামের আনোয়ার মিয়ার স্ত্রীকে দীর্ঘদিন ধরে একই গ্রামের খোকন মিয়ার ছেলে বাবু উত্ত্যক্ত করে আসছিলো বলে অভিযোগ রয়েছে। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। ঘটনার জেরে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শাহজাহান মিয়ার দোকানের সামনে দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হলে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।

সংঘর্ষে গুরুতর আহত হন খোকন মিয়া, বাবর মিয়া ও ফাতেমা আক্তার। তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এছাড়া আহতদের মধ্যে রয়েছেন ছাত্তার, আমিনুল, মুক্তা আক্তার ও দিলারা বেগম। তাদের মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

উল্লেখ্য যে, ১৫ দিন আগে আনোয়ার মিয়াকে খোকন মিয়ার লোকজন মারপিট করে হাসপাতালে পাটিয়েছিলো। ওই ঘটনায় মদন থানায় একটি অভিযোগ দায়ের আছে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত বাবু অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তাদের সঙ্গে মূলত পারিবারিক বিষয় নিয়ে বিরোধ রয়েছে। উত্ত্যক্ত করার অভিযোগ সঠিক নয়।

অন্যদিকে, মদন পৌর শহরে এলাকার বাড়িভাদড়া গ্রামে মাদকের ঘটনায় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে আবুল হাসেম, শরীফ ও সঞ্জিলা আক্তার গুরুতর আহত হন। তাদেরও উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালাউদ্দিন করিম জানান, মণিকা ও বাড়িভাদড়া গ্রামে পৃথক দুটি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। উভয় পক্ষের অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এমএম