রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর থেকে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থায় জেলা প্রশাসক কার্যালয় থেকে প্রতিটি উপজেলায় এসব ব্যালট পেপার ও নির্বাচনি সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

এর আগে গাজীপুরের জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা ব্যালট বিতরণ স্থগিত রাখার নির্দেশনা দিয়ে এক চিঠি জারি করেছিলেন। পরে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শেষে নতুন একটি চিঠি জারি করে বলা হয়, গাজীপুর জেলার ৫টি সংসদীয় আসনের জন্য ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে ব্যালট বিতরণ কার্যক্রম শুরু হবে। এ ব্যালট গ্রহণের জন্য যথাযথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা (পুলিশ ফোর্স) সঙ্গে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তারা অথবা ক্ষমতা পত্রসহ অফিসিয়াল প্রতিনিধি উপস্থিত থাকবেন।

এদিকে, ভোটগ্রহণ ও ব্যালট বিতরণ প্রক্রিয়ার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ এবং ইসির মনিটরিং টিম তৎপর রয়েছে। ভোটগ্রহণের দিন সব কেন্দ্রে পর্যাপ্ত ব্যালট, ভোটকর্মী ও নিরাপত্তা থাকবে। নির্বাচনকে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ এবং শান্তিপূর্ণ রাখতে কাজ করছে পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

এ ব্যাপারে গাজীপুর মহানগর অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ তাহেরুল হক চৌহান বলেন, নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে ভোটের আগে ও পরে পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা মাঠে থাকবে। এছাড়া অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, মাদক কারবারি ও নির্বাচন ভন্ডুল করতে পারে এমন সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের তালিকা তৈরি করে অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।

এমএম