শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) বিকাল সাড়ে ৪টা থেকে পৌনে ৫টার দিকে সিংহটি খাঁচা থেকে বের হয়ে যায় বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে জাতীয় চিড়িয়াখানার কিউরেটর ড. আতিকুর রহমান বলেন, ‘বিকাল সাড়ে চারটা থেকে পৌনে ৫টার দিকে একটি সিংহ খাঁচা থেকে বের হয়ে যায়। তবে সে পাবলিকলি আসেনি। সে তার খাঁচার টেরিটোরির মধ্যেই ছিল।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা লোকগুলোকে (দর্শনার্থী) খালি করে দিয়েছি। তো যার ফলে তাকে (সিংহ) উত্তেজিত করেনি, সেও (সিংহ) বুঝতে পারেনি প্রথমে। আমরা গরুর গোস্ত দিয়েছি, সেগুলো খেয়ে শান্ত হয়েছিল। পরে আমরা এনেস্থিসিয়া ইনজেকশন দিয়েছি বন্দুক দিয়ে। এখন সে ঝিমুচ্ছে।’

কীভাবে সিংহটি খাঁচা থেকে বের হলো- এমন প্রশ্নের জবাবে চিড়িয়াখানার পরিচালক ডা. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘খাঁচায় প্রবেশ এবং বাহিরের পথ একটিই। বেরনোর বিষয়টি আসলে তদন্ত ছাড়া বলা সম্ভব হচ্ছে না। আমরা এখনও খাঁচার সামনে যেতে পারিনি। সিংহটিকে খাঁচায় ঢোকানোর পর আমরা বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করবো। তারপর কারণটি জানা যাবে।’

এমএম