শুক্রবার রাতে উপজেলার দক্ষিণ লম্বরী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের উদ্ধার করা হয়। শনিবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন এসআরবি-১৫-এর সহকারী পুলিশ সুপার আ. ম. ফারুক।
এসআরবি-১৫-এর সিপিসি-১ (টেকনাফ ক্যাম্প) জানায়, তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে তারা জানতে পারে, মানবপাচারকারী একটি চক্র বিদেশে পাঠানোর জন্য কয়েকজনকে দক্ষিণ লম্বরী এলাকার মো. ইব্রাহীমের বাড়িতে জড়ো করেছে। পরে সন্ধ্যায় সেখানে অভিযান চালানো হয়।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারচক্রের সদস্যরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় সাক্ষীদের উপস্থিতিতে ওই বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ১৭ জন পুরুষকে উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার হওয়া মোহাম্মদ করিম জানান, পাঁচ দিন আগে মালয়েশিয়া যাওয়ার উদ্দেশ্যে তিনি সাইফুল নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করেন। ওই দিনই নৌপথে তাকে মালয়েশিয়া পাঠানোর কথা ছিল। কিন্তু কয়েক দফা তাদের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নেওয়ার পর একটি বাড়িতে আটকে রাখা হয়।
করিম বলেন, তারা স্বেচ্ছায় মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য টেকনাফে এসেছিলেন। পরে তাদের আটকে রাখা হলে সুযোগ পেয়ে তিনি সেখান থেকে পালিয়ে আসেন।
এসআরবি-১৫ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের বাড়ি কক্সবাজার ও বান্দরবান জেলার বিভিন্ন উপজেলায়। তাদের মধ্যে বান্দরবানের লামা এলাকার ছয়জন এবং কক্সবাজারের চকরিয়া, পেকুয়া, রামু, সদর ও টেকনাফ এলাকার ১১ জন রয়েছেন।
এসআরবি-১৫-এর সহকারী পুলিশ সুপার আ. ম. ফারুক বলেন, লাভের আশায় সংঘবদ্ধ একটি চক্র তাদের বিদেশে পাঠানোর কথা বলে ওই বাড়িতে জড়ো করেছিল। নৌপথে মালয়েশিয়ায় পাঠানোর পরিকল্পনা ছিল তাদের। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা তৎপরতা চালানো হচ্ছে।
টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানান, উদ্ধার হওয়া ১৭ জনকে এসআরবি-১৫ থানায় হস্তান্তর করেছে। তাদের বিষয়ে পরবর্তী আইনি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।
এস





