বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ১০টার দিকে এ হামলা হয়। আতিকুর রহমানের অভিযোগ, ছাত্রদল নেতা আমিমুল, শাওন ও সোহেলসহ প্রায় ৩৫ জন এ হামলায় জড়িত। হামলাকারীরা ধারণা করেন, তিনি গাড়িতে আছেন এবং সেটি লক্ষ্য করে হামলা চালান।

আতিকুর রহমান দাবি করেন, হামলাকারীরা রড ও হকিস্টিক দিয়ে মারধর করে এবং আহতদের মাটিতে ফেলে লাথি দেয়। তিনি বলেন, ঘটনার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানো হলেও তাৎক্ষণিক সহায়তা পাননি।

হামলার প্রতিবাদে তাঁর সমর্থকেরা জেলা প্রশাসকের বাসভবনের সামনে অবস্থান নেন। পুলিশ লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরামর্শ দিলে রাত ১টার দিকে তারা সরে যান।

সদর থানার ওসি মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযুক্ত সোহেলের মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।

এদিকে জাতীয় ছাত্রশক্তির জেলা শাখার সদস্যসচিব সাদিকুর রহমান হামলাকে পরিকল্পিত উল্লেখ করে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান।

এনএইচ