ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জাকাত তহবিল বিভাগের সম্প্রতি জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, চট্টগ্রামে জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তার নেতৃত্বে দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ পরিমাণ জাকাতের অর্থ সংগ্রহ করা সম্ভব হয়েছে। এ অসামান্য সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে জাতীয় পর্যায়ে প্রথম স্থান অর্জনকারী জেলা প্রশাসক হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে।

সরকারি জাকাত ব্যবস্থাপনাকে আরও কার্যকর, স্বচ্ছ ও জনসম্পৃক্ত করতে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রম, সমন্বয় সভা এবং জাকাত প্রদানে উদ্বুদ্ধকরণ কর্মসূচি পরিচালনা করা হয়। এসব উদ্যোগের ফলে জাকাত তহবিলে মানুষের অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায় এবং সংগ্রহের পরিমাণও বেড়ে যায়।

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জাকাত তহবিল বিভাগের পরিচালক মো. আব্দুল হামিদ খান স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে দেশের বিভিন্ন জেলার জাকাত সংগ্রহের তথ্য পর্যালোচনা করে এ স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জাকাতভিত্তিক সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে জেলা প্রশাসনের সক্রিয় ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের উদ্যোগ অন্য জেলার জন্যও অনুসরণযোগ্য উদাহরণ হয়ে উঠেছে।

বর্তমানে ফরিদা খানম ঢাকার জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। প্রশাসনিক দক্ষতা, জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম এবং উদ্ভাবনী উদ্যোগের জন্য তিনি ইতোমধ্যে বিভিন্ন মহলে প্রশংসিত হয়েছেন। জাতীয় পর্যায়ে সর্বোচ্চ জাকাত সংগ্রহকারী জেলা প্রশাসক হিসেবে তার এ অর্জন সরকারি জাকাত ব্যবস্থাপনাকে আরও গতিশীল করতে উৎসাহ জোগাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বলেন, ‘সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করতে জাকাত তহবিল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে জাকাতের অর্থ প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হলে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা যাবে।’

এ অর্জনকে ভবিষ্যতে আরও দায়িত্বশীলভাবে কাজ করার অনুপ্রেরণা হিসেবে উল্লেখ করে ফরিদা খানম বলেন, ‘মানুষের কল্যাণে কাজ করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। ভবিষ্যতেও জনসেবামূলক কার্যক্রমে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাব।

এমএম