বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল ৮টায় একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে, বিরতিহীনভাবে চলবে বিকাল ৪টা পর্যন্ত।

​নির্বাচন কমিশন ও স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ভোটগ্রহণ অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে নেওয়া হয়েছে নজিরবিহীন ও কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। পুরো নির্বাচনি এলাকা মুড়ে ফেলা হয়েছে নিরাপত্তার চাদরে।

​এবারের উপনির্বাচনে মোট ১৮৫টি কেন্দ্রের মধ্যে ১১৫টি কেন্দ্রকেই ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তবে সাধারণ ভোটারদের আতঙ্ক দূর করতে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে রাখা হয়েছে বিশেষ নজরদারি। নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ রাখতে মাঠে নেমেছেন প্রায় সাড়ে ৫ হাজার আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্য। এছাড়া যে কোনো ধরনের অনিয়ম রোধে প্রতিটি কেন্দ্রে স্থাপন করা হয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরা।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় ঠাকুরগাঁও-১ আসনটি শূন্য ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। উপ-নির্বাচনে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীসহ মোট পাঁচটি রাজনৈতিক দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।

ভোটারদের মনে কিছুটা আতঙ্ক ও সংশয় থাকলেও ভোটগ্রহণ সুষ্ঠু করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়ার কথা জানিয়েছেন রিটার্নিং অফিসার কামরুল ইসলাম। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, নির্বাচনকালীন যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা ও অপচেষ্টা দমনে কঠোর অবস্থানে রয়েছে প্রশাসন।

এনএইচ