নিহত শাহ আলম নান্দুহার এলাকার বাসিন্দা। স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত শনিবার থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। তবে তার নিখোঁজের ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় কোনো সাধারণ ডায়েরি বা লিখিত অভিযোগ করা হয়নি।
শনিবার সকালে বাগানসংলগ্ন ডোবা থেকে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা সেখানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে পানিতে লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন তারা। পরে নেছারাবাদ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।
স্থানীয় কয়েকজন জানান, শাহ আলম গাছের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তাদের ধারণা, গাছ কাটার কাজে গিয়ে ঝুলে থাকা বিদ্যুতের তারের সংস্পর্শে এসে তার মৃত্যু হতে পারে। তবে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়েই তার মৃত্যু হয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।
নিহতের পরিবারের সদস্যরাও জানান, গত শনিবার থেকে শাহ আলমের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। তারা আত্মীয়স্বজন ও পরিচিতদের কাছে খোঁজ করলেও থানায় কোনো অভিযোগ করেননি। তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কেও তারা নিশ্চিত নন।
নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, শাহ আলম গত শনিবার থেকে নিখোঁজ ছিলেন। তার পরিবার বা স্বজনদের পক্ষ থেকে থানায় কোনো অভিযোগ করা হয়নি। মৃত্যুর কারণ এখনো নিশ্চিত নয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
এদিকে নেছারাবাদ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম জানে আলম জানান, ওই এলাকায় বিদ্যুতের তার ঝুলে থাকা বা অরক্ষিত অবস্থায় থাকার বিষয়ে তাদের কাছে কোনো অভিযোগ আসেনি। শাহ আলম বিদ্যুতের তারে সংযুক্ত হয়ে মারা গেছেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
পুলিশ জানিয়েছে, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
এস