মঙ্গলবার কক্সবাজারের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. শফিউল আজমের আদালতে মামলার ৬আসামি হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে শফিউল আলম ও মাঈন উদ্দিন গাদ্দাফিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। বাকি ৪ জন জামিন পান।
মামলা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১২ জুলাই কুতুবজোম বটতলী এলাকায় মানবপাচার ও হত্যা মামলাসহ একাধিক মামলার পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামি কাশেমকে গ্রেপ্তার করতে বিশেষ অভিযান চালায় মহেশখালী থানা-পুলিশ। কাশেমকে গ্রেপ্তার করে হাতকড়া পরিয়ে থানায় নিয়ে আসার সময় তার আপন চাচা, কুতুবজোম ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা শফিউল আলমের নেতৃত্বে ৪০ থেকে ৫০ জনের একটি দল পুলিশ সদস্যদের ঘেরাও করে।
একপর্যায়ে তারা পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা চালায় এবং পুলিশ হেফাজতে থাকা হাতকড়াপরা আসামি কাশেমকে ছিনিয়ে নেন।
এ ঘটনার পর পুলিশের ওপর হামলা ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে মাওলানা শফিউল আলমসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করা হয় ।
ওই মামলায় দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর মঙ্গলবার আদালতে জামিন প্রার্থনা করলে বিচারক আবেদন নামঞ্জুর করে শফিউল আলমকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এমএম











