মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় ফুলবাড়ী ২৯ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্ণেল মোহাম্মদ আরিফ-উজ-জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে, মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে ফুলবাড়ী উপজেলার এলুয়াড়ী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের জলপাইতলী বিজিবি ক্যাম্পসংলগ্ন সীমান্তে মেইন পিলার ৩০-এর ৫ সাব পিলার থেকে ২০ গজ দূরে ভারতের জাকিরপুর এলাকা দিয়ে ওই নারী ও শিশুকে বাংলাদেশে পাঠানো হয়।
পুশইনের শিকার দুজন হলেন- ভারতের আজমির জেলার দারোগাবাজার থানার আন্দারকোট গ্রামের মুহিন ইসলামের স্ত্রী সুলতানা বেগম (৪০) ও তাঁর মেয়ে আলেয়া (৮)। তাঁদের কাছে ভারতীয় আধার কার্ড রয়েছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভোরে বিএসএফ শূন্যরেখায় মারধর করে এক শিশুসহ দুইজনকে বাংলাদেশে পুশইন করে। পরে বিষয়টি টের পেলে স্থানীয়রা বিজিবিকে খবর দেয়। পরে বিজিবি ও স্থানীয়দের তৎপরতায় তারা শূন্যরেখায় অবস্থান নেয়।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মতিয়ার রহমান জানান, তাঁদের কাছে ভারতীয় আধার কার্ড রয়েছে। সকালে তাঁদের কাছে গেলে তাঁরা বিষটি বিজিবিকে জানান। পরে তাঁরা সীমান্তের বানাহার এলাকায় অবস্থান নেন বলেও জানান মতিয়ার রহমান।
২৯ বিজিবির অধিনায়ক জানান, ভোরে বিএসএফ দুইজন ভারতীয়কে পুশইনের চেষ্টা করে। তবে বিজিবি ও স্থানীয় জনগণের তৎপরতায় তা ভেস্তে যায়। বর্তমানে তাঁরা শূন্য রেখায় অবস্থান করছে। এ ব্যাপারে বিজিবি ও বিএসফের মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
এমএম











